ফাইনাল হয়ে উঠল ফাইনালের মতোই। রানের দেখা মিললো, উত্তাপ ছড়ালো। মুহূর্তে মুহূর্তে রঙ বদলালো। যেখানে শেষ পর্যন্ত দুর্বারকে হতাশায় ডুবিয়ে বিজয়ের হাসি ধূমকেতুর।
শ্বাসরুদ্ধকর শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে দুর্বারকে ৭ রানে হারিয়ে শিরোপা ধূমকেতুর। লিটন দাসদের ৩ উইকেট হারিয়ে করা ২০৮ রানের বিপরীতে ৫ উইকেটে ২০১ রান করেছে দুর্বার।
অবশ্য জয়ের পথেই ছিল দুর্বার। শেষ ৩ ওভারে প্রয়োজন ছিল ৩১ রান, হাতে ৭ উইকেট। মাঠে তখনো ৩৪ বলে ৫৪ রান করা নুরুল হাসান সোহান ও ২৮ বলে ৪৫ করা আফিফ হোসেন। সেখান থেকে মোস্তাফিজ খেলা ঘুরিয়ে দেন। ১৮তম ওভারে দেন মাত্র ৪ রান, ফেরান সোহানকে। আর শেষ ওভারে এসে দেন মাত্র ৮ রান। মাঝের ওভারে ১১ রান দেন রিশাদ হোসেন।
২০৯ রান তাড়ায় নেমে যেভাবে শুরুটা করা দরকার ছিল, ঠিক সেভাবেই করেছেন হাবিবুর রহমান সোহান। খেলেন ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ২৭ বলে ৬৭ রানের ইনিংস। তাকে থামান মোস্তাফিজ। তবে ভালো করতে পারেননি মেহেদী মিরাজ। ওপেনিংয়ে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। ব্যর্থ ছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। দ্বিতীয় উইকেটে তার গড়া ৭০ রানের জুটিতে ৬৫ রানই হাবিবুরের।
শান্ত বিদায় নেন ১১ বলে ৭ করে। এরপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন সোহান ও আফিফ। ৫৮ বলে গড়েন ৯৪ রানের জুটি। দু'জনেই তুলে নেন ফিফটি। সোহান ২ চার ৪ ছক্কায় ৩৫ বলে ৫৪ রানে ফিরলেও আফিফ অপরাজিত ছিলেন ৬ চার ২ ছক্কায় ৩৬ বলে ৬০* রানে। বল হাতে ৩৩ রানে ২ উইকেট নেন মোস্তাফিজ।
এর আগে মিরপুরে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় ধূমকেতু। ১৩ ওভারে ১৪৯ রান যোগ করেন সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম। ৪ চার ও ৭ ছক্কায় ৪৪ বলে ৭৯ রান করে সাইফ আউট হলে ভাঙে যুগলবন্দী। তবে তামিম ব্যাট করে এসেছেন শেষ পর্যন্ত। ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ৫৪ বলে ৮৮ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।
এছাড়া লিটন দাস ৮ বলে ১৫ ও শেষ দিকে ১৩ বলে ১৩ রানে মাঠে থাকেন তাওহীদ হৃদয়। আলিস আল ইসলাম, হাসান মাহমুদ ও সাইফুদ্দিন একটি করে উইকেট পেয়েছেন।



