নতুন বছরে ঘরের মাঠে পাঁচটি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। টাইগাররা আতিথ্য দেবে পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। ইতোমধ্যে সিরিজগুলার সূচিও প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে সিরিজগুলোর সূচি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে, ম্যাচের সূচি প্রকাশ করলেও এখনো ভেন্যু চূড়ান্ত করেনি বিসিবি।
ঘরের মাঠে চ্যালেঞ্জের শুরুটা হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষে পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে। তিনটি ওয়ানডে খেলতে আগামী মার্চে বাংলাদেশে আসবেন বাবর আজম-শাহীন আফ্রিদিরা। ১২, ১৪ ও ১৬ মার্চ হবে ম্যাচ তিনটি।
একই বছরের মে মাসে দু’টি টেস্ট খেলতে আবারো বাংলাদেশে আসবে পাকিস্তান। ৮-১২ মে ও ১৬-২০ মে হবে টেস্ট ম্যাচ দু’টি। মূলত পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) সাথে সূচির সাংঘর্ষিক হওয়ায় দুই ধাপে বাংলাদেশে আসছেন মোহাম্মদ রিজওয়ানরা।
তবে, এর মাঝে টাইগারদের আতিথ্য নেবে নিউজিল্যান্ড। ১৭ এপ্রিল থেকে ২ মে বাংলাদেশের সাথে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবে মিচেল স্যান্টনারের দল। ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল মাঠে গড়াবে তিন ওয়ানডে। ২৭ ও ২৯ এপ্রিল ও ২ মে হবে সিরিজের তিন টি-টোয়েন্টি।
এরপর পাকিস্তানের সাথে টেস্ট শেষে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশ সফরে আসবে অস্ট্রেলিয়া। ৫, ৮ ও ১১ জুন মাঠে গড়াবে সিরিজের তিনটি ওয়ানডে এবং ১৫, ১৮ ও ২০ জুন অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ম্যাচগুলো।
অস্ট্রেলিয়া যেতেই সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে আসবে ভারত। বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মারাও তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলবেন বাংলাদেশের সাথে। ১, ৩ ও ৬ সেপ্টেম্বর হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। এরপর ৯, ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবেন সূর্যকুমার যাদব-অভিষেক শর্মারা।
আর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বছরের শেষটা হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দিয়ে। দুই টেস্ট খেলতে অক্টোবরে বাংলাদেশে আসবেন শাই হোপ-রস্টন চেজরা। ২৮ অক্টোবর থেকে ১ নভেম্বর হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। পরের ম্যাচটি হবে ৫ থেকে ৯ নভেম্বর। সিরিজ শুরুর আগে অবশ্য তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জানা গেছে, বছরের মাঝামাঝি দু’টি চার দিনের ম্যাচ ও তিনটি ওয়ানডে খেলতে মে মাসে বাংলাদেশ সফর করবে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দল।



