তামিম-সাইফের রেকর্ড জুটিতে বড় পুঁজি পেল বাংলাদেশ

দুই ওপেনারের জুটিতে ভর করে বেশ ভালোই শুরু পায় বাংলাদেশ। তবে ভালো শুরুটা ধরে রাখা যায়নি শেষ পর্যন্ত। ১২০ রানে জুটি ভাঙার পরের ২১ রান তুলতেই হারায় আরো ৪ উইকেট।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম
দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ তামিম |নয়া দিগন্ত

সিরিজে ফিরতে বড় সংগ্রহ পেল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বুলাওয়েতে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৮৬ রান তুলেছে টাইগাররা। ফিফটি পেয়েছেন তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান।

একবার-দুইবার নয়, পাঁচবার জীবন পান সাইফ হাসান। আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমও বেঁচে যান একবার। জিম্বাবুয়ের ফিল্ডারদের ব্যর্থতায় দু’জনেই পেয়েছেন বড় রান। গড়েছেন রেকর্ড রানের জুটি।

তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান মিলে গড়েন ১৪.৪ ওভারে ১২০ রানের জুটি। যা যেকোনো উইকেটে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের তৃতীয় সেরা জুটি। আর উদ্বোধনী জুটিতে দ্বিতীয় সেরা যুগলবন্দী।

তবে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে এটি যেকোনো উইকেটে সেরা জুটি। এর আগে ২০১৩ সালে সাকিব আল হাসান ও শামসুর রহমান মিলে দ্বিতীয় উইকেটে ১১৮ রান যোগ করেছিলেন। ১৩ বছর পর এসে ভাঙল সেই রেকর্ড।

যাইহোক, দুই ওপেনারের জুটিতে ভর করে বেশ ভালোই শুরু পায় বাংলাদেশ। তবে ভালো শুরুটা ধরে রাখা যায়নি শেষ পর্যন্ত। ১২০ রানে জুটি ভাঙার পরের ২১ রান তুলতেই হারায় আরো ৪ উইকেট।

৪ বলের মাঝে ফেরেন দুই ওপেনার। সাইফকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন সিকান্দার রাজা, ৪৫ বলে ৫৫ রান করে আউট হন এই ব্যাটার। ৪৪ বলে ৫৮ রান আসে তামিমের ব্যাটে।

এরপর দ্রুত আরো ৩ উইকেট হারায় দল। তাওহীদ হৃদয় ৬, পারভেন ইমন ১ ও ৪ রান করে আউট হন নুরুল হাসান সোহান।

তবে বিপদ আর বাড়তে দেননি ইয়াসির আলী ও মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। দু’জনে গড়েন অবিচ্ছিন্ন ১৯ বলে ৪৫ রানের জুটি। সাইফুদ্দিন ১০ বলে ৩১ ও ইয়াসির ১২ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন।

জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাবা ও ব্রাড ইভান্স দু’টি করে উইকেট নেন।