সেঞ্চুরি করেও কানাডাকে জেতাতে পারলেন না যুবরাজ

রাচিন ৩৯ বলে ৪ চার ও ৩ ছয়ে ৫৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। অন্যদিকে ২২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা ফিলিপস ৩৬ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৪ চার ও ৬ ছয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন যুবরাজ শর্মা
ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন যুবরাজ শর্মা |ক্রিকইনফো থেকে নেয়া ছবি

ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন যুবরাজ শর্মা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পেয়ে যান আরাধ্য সেঞ্চুরিটাও। ইতিহাস গড়া শতকেও অবশ্য দলকে জেতাতে পারেননি, নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে গেছে কানাডা।

মঙ্গলবার চেন্নাইয়ে কানাডাকে ৮ উইকেট ও ২৯ বল হাতে রেখে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। এই জয়ে সুপার এইটও নিশ্চিত হয়ে গেল তাদের। বিপরীতে বিদায়ঘণ্টা বেজে গেল আফগানিস্তানের।

এদিন টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে যুবরাজের সেঞ্চুরিতে ভর করে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান করে কানাডা। জবাবে ১৫.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় কিউইরা।

চেন্নাইয়ে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে দিলপ্রীত বাজওয়াকে নিয়ে ১১৬ রানের জুটি গড়েন যুবরাজ। ৮৪ বলের এই জুটিতে ৩৬ বলে ফিফটি করেন তিনি। ৩৯ বলে ৩৬ করে আউট হন দিলপ্রীত।

ফিফটির পর আরো বিধ্বংসী হয়ে ওঠেন যুবরাজ। ৫৮ বলে করেন সেঞ্চুরি। তাতেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন তিনি (১৯ বছর ১৪১ দিন)।

শেষ পর্যন্ত ৬৫ বলে ১১ চার ও ৬ ছয়ে ১১০ রান করেন যুবরাজ। সহযোগী দেশের ক্রিকেটার হিসেবে বিশ্বকাপে যা সর্বোচ্চ স্কোর। এদিকে দিলপ্রীতের পর আর কেউ ১০ রানের বেশি করতে পারেননি।

যা তাড়া করতে নেমে গ্লেন ফিলিপস ও রাচীন রবীন্দ্রের অর্ধশতকে ভর করে সহজ জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড। অবশ্য শুরুতে চাপে পড়ে গিয়েছিল কিউইরা। কোনো রান না হতেই দুই ওপেনারকে হারায় তারা।

টিম সেইফার্ট (৬) ও ফিন অ্যালেন (২১) ফেরার পর রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ড। ৭৩ বলে ১৪৬ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন ফিলিপস ও রাচিন।

রাচিন ৩৯ বলে ৪ চার ও ৩ ছয়ে ৫৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। অন্যদিকে ২২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা ফিলিপস ৩৬ বলে ৭৬ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৪ চার ও ৬ ছয়ে সাজানো ছিল তার ইনিংস।