নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে দল অপরিবর্তিত থাকার কারণ জানালেন প্রধান নির্বাচক

অপরিবর্তিত স্কোয়াড দেয়ার ব্যাখ্যায় হাবিবুল বাশার বলেন, ‘আমাদের শেষ সিরিজটা সফল ছিল। বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু কিছু খেলোয়াড় হয়তো একাদশে সুযোগ পায়নি, আবার কিছু খেলোয়াড় নতুন এসেছে।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল |ফাইল ছবি

পরিকল্পনায় বদল আনেননি হাবিবুল বাশার সুমন। গাজী আশরাফ লিপুর দেখানো পথেই হাঁটছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এই নতুন প্রধান নির্বাচক। আসন্ন সিরিজের দল নিয়ে খুব একটা মাথা খাটাতে হয়নি।

শনিবার আসন্ন নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেন নির্বাচকেরা। এই সিরিজ দিয়েই শুরু হয়েছে হাবিবুল বাশারের চার সদস্যের নির্বাচক প্যানেলের যাত্রা।

হাবিবুল বাশারের নেতৃত্বাধীন প্যানেলে আছেন পুরনো নির্বাচক হাসিবুল ইসলাম শান্ত। আর নির্বাচক হিসেবে অভিষেক হচ্ছে নাঈম ইসলাম ও নাদিফ চৌধুরীর।

তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে খেলা দলটাই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে রেখে দিয়েছেন তারা। নতুন নির্বাচকেরা সেখানে কোনো পরিবর্তন আনেননি।

অপরিবর্তিত স্কোয়াড দেয়ার ব্যাখ্যায় হাবিবুল বাশার বলেন, ‘আমাদের শেষ সিরিজটা সফল ছিল। বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে। কিন্তু কিছু খেলোয়াড় হয়তো একাদশে সুযোগ পায়নি, আবার কিছু খেলোয়াড় নতুন এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের নীতি হচ্ছে, যখন কেউ দলে আসবে তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে হবে যারা খেলেছে তারা খারাপ খেলেনি। আমরা ধারাবাহিকতায় বিশ্বাস করতে চাই, যার জন্য এই সিরিজে আমরা দলে পরিবর্তন করিনি।’

স্কোয়াডে রোটেশন নীতির প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘পেস বোলিং বিভাগে আমাদের অনেক বিকল্প আছে। সেখানে রোটেশন করলে আমরা খুব একটা কিছু হারাচ্ছি না। ইনজুরি ব্যবস্থাপনার জন্য আমরা পেসারদের ঘুরিয়ে খেলাব।’

ব্যাটিং নিয়েই যে যত চিন্তা নির্বাচকদের, তা স্পষ্ট সুমনের পরের মন্তব্যে। তিনি বলেন, ‘টপঅর্ডার ও মিডলঅর্ডারে আমাদের স্থিরতা দরকার। সেখানে আমাদের আরো কাজ করতে হবে।’

আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়াতে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। সেই আসরের প্রস্তুতিই যে এখন সবার লক্ষ্য, তা আর নতুন করে না বললেও হয়। তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের আগে আমরা অনেকগুলো সিরিজ খেলব। বিশ্বকাপের কন্ডিশন সম্পর্কে আমাদের পরিষ্কার ধারণা আছে। আমরা চাই ছয় মাসের মধ্যে আমাদের বিশ্বকাপ দলটা সেটেল করে ফেলতে।’