আগেই ফাইনালে উঠে বসেছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। এবার শিরোপার লড়াইয়ে প্রতিপক্ষ পেল তারা। ফাইনালে উঠেছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। প্রথম কোয়ালিফায়ারের দুই প্রতিপক্ষ খেলবে প্রথম শিরোপার জন্যে।
দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে বুধবার টসে হেরে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান করে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। বিপরীতে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রান করতে পারে সিলেট। রাজশাহীর জয় ১২ রানে।
বিপিএলে ২০১৬ ও ২০২০ সালের পর আবার ফাইনালে উঠল রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি। দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে আছে তারা। অন্যদিকে প্রথম শিরোপার স্বাদ পেতে মরিয়া সিলেট।
রান তাড়ায় আজ সিলেটের শুরুটা ছিল যাচ্ছেতাই। রানের খাতা খোলার আগেই বিনুরা ফার্নান্দোর শিকার হন জাকির হাসান ও আরিফুল ইসলাম। মাত্র ৭ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় চট্টগ্রাম।
শুরুর ধাক্কা সামাল দিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৬৯ রানের জুটি গড়েন পারভেজ ইমন ও স্যাম বিলিংস। ৫ চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ বলে ৪৮ রানের ইনিংস খেলেন ইমন। দুর্ভাগ্যজনক রানআউটে বিদায়ঘণ্টা বাজে তার।
পরে কিছু করতে পারেননি মইন আলি। গাফফার সাকলাইনের বলে ক্যাচ আউট হয়ে যান ২৮ বলে ৩৭ রান করা বিলিংস। ছয় নম্বরে নেমে আফিফ হোসেন ধ্রুব হাল ধরার চেষ্টা করেন।
কিন্তু তানজিম সাকিবের বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে আউট হন ১২ বলে ২১ রান করা বাঁহাতি ব্যাটার। ৯ রান করতে ১৩ বল খেলে ফেলেন মেহেদী মিরাজ। তাতে চাপ বেড়ে যায় দলের ওপর। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে বিদায় নেন তিনি।
দলের জয়ের জন্য তখন দরকার ছিল ১৭ বলে ৩৪ রান। শেষদিকে ক্রিস ওকস, খালেদ আহমেদ ও নাসুম আহমেদরা অবশ্য কোনো চমক দেখাতে পারেননি। তাতে ১২ রানে হারে বিদায় নিতে হয় সিলেটকে।
আগের ম্যাচে শেষ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে রংপুরকে বিদায় করা ওকস এদিন ১০ বলে ১৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। রাজশাহীর হয়ে বিনুরা ফার্নান্দো ১৯ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন। সমান রান দিয়ে ১ উইকেট নেন গাফফার।
এর আগে, ব্যাট হাতে শুরুটা অবশ্য ভালোই পেয়েছিল রাজশাহী। তানজিদ তামিম ও সাহিবজাদা ফারহান মিলে পাওয়ার প্লেতে যোগ করেন ৬১ রান। মাঝে ফারহান ২১ বলে ২৬ রান করে আউট হন।
অন্যদিকে তামিম ভালো ব্যাট করলেও ইনিংস বড় হয়নি। ৪ ছক্কা ১ চারে ১৫ বলে ৩২ রানে শেষ হয় তার ইনিংস। এরপর অবশ্য দ্রুত বেশ কয়েকটি উইকেট হারায় রাজশাহী। শান্ত ১০, মুশফিক ও মেহরাব ফেরেন ০ রানে।
তবে ততক্ষণে দলের হাল ধরেন কেন উইলিয়ামসন। তার সাথে যোগ দেন আরেক কিউই তারকা জিমি নিশাম। দু’জনে মিলে গড়েন ৫০ বলে ৭৭ রানের জুটি। নিশাম ২৬ বলে ৪৪ রানে আউট হলেও উইলিয়ামসন অপরাজিত থাকেন ৩৮ বলে ৪৫ করে।
সালমান ইরশাদ ৩, নাসুম আহমেদ ও মেহেদী মিরাজ নেন দু’টি করে উইকেট নেন।



