ধারাবাহিকতার আরেক নাম বিরাট কোহলি। ৩৭ বছর বয়সে যেন আরো বেশি ধারাল তার ব্যাট। সাম্প্রতিক অতীতে অনবদ্য ছন্দে রয়েছেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৯১ বলে ৯৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন। এর ফল পেলেন হাতেনাতে। রোহিত শর্মাকে টপকে ৫৭ মাস পর ওয়ানডে ক্রিকেটে শীর্ষস্থান দখল করলেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকা মিলিয়ে তিনটি ওয়ানডেতে দুটি সেঞ্চুরি ও একটি হাফসেঞ্চুরি করে আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ এগিয়ে দুই নম্বরে উঠেছিলেন বিরাট। তখন রোহিতের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৭৮১। কোহলির ৭৭৩। অর্থাৎ দুই তারকার পয়েন্টের পার্থক্য ছিল মাত্র ৮। সামান্য সেই ব্যবধান সহজেই মিটিয়ে সিংহাসন ফিরে পেলেন বিরাট।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডের পর কোহলির রেটিং পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ৭৮৫। রান না পাওয়ায় রোহিতের রেটিং পয়েন্ট কমে ৭৭৫-এ। এক নম্বরে দুই ধাপ নেমে তিনে নেমে গেছেন হিটম্যান। কিউইদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে শেষ পাঁচ ম্যাচে ৪৬৯ রান করেছেন কোহলি। যার মধ্যে দু’টি সেঞ্চুরি এবং তিনটি হাফসেঞ্চুরি।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনটি ওয়ানডেতে বিরাট করেছিলেন ৩০২ রান। গড় ১০০-র ওপরে। তাছাড়াও ২০২৫ সালের ১৩ ইনিংসে মোট ৬৫১ রান করেছেন। গড় ৬৫.১০। যা একই ক্যালেন্ডার বছরে সর্বাধিক রানের নজির।
প্রায় পাঁচ বছর পর সিংহাসন ফিরে পেলেন বিরাট। ২০২১ সালের এপ্রিলে আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে ছিলেন তিনি। এরপর তার জায়গায় চলে আসেন পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজম। সেখান থেকে অনবদ্য পারফরম্যান্সে এই উত্থান বিরাটের।
কোহলির পর ৭৮৪ রেটিং নিয়ে কিউই তারকা ডারিল মিচেল। র্যাঙ্কিংয়ে চার নম্বরে আফগান তারকা ইব্রাহিম জাদরান। তার রেটিং পয়েন্ট ৭৬৪। চোটের কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজে খেলতে পারেননি শুভমান গিল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। এর ফলে ৭২৩ থেকে রেটিং পয়েন্ট ৭২৫-এ পৌঁছেছেন তিনি। তিনি রয়েছেন পাঁচে।
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রায় আড়াই বছর পর সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ৭২২ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ বাবর আজম। ৭০৮ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তমে আইরিশ ক্রিকেটার হ্যারি টেক্টর। ৭০১ পয়েন্ট নিয়ে আটে ক্যারিবিয়ান তারকা শাই হোপ। এক ধাপ উঠে ৬৯০ পয়েন্ট নিয়ে দশ নম্বরে শ্রীলঙ্কার চরিথ আশালঙ্কা। শ্রেয়াস আইয়ার রয়েছেন দশ নম্বরে। তার রেটিং পয়েন্ট ৬৮২।



