প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ১-১ সমতা থাকায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি রূপ নেয় অঘোষিত ফাইনালে। যেখানে শেষ হাসি ইংল্যান্ডের। জোড়া সেঞ্চুরিতে পাত্তাই দেয়নি স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাকে।
জো রুট ও হ্যারি ব্রুকের সেঞ্চুরিতে ভর করে আগে ব্যাট করে ৩ উইকেটে ৩৫৭ রানের পুঁজি দাঁড় করায় ইংল্যান্ড। জবাবে ৪৬.৪ ওভারে ৩০৪ রান করতে পারে শ্রীলঙ্কা, হেরে যায় ৫৩ রানে।
কলম্বোতে সোমবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে বিধ্বংসী হয়ে উঠেন ইংলিশ অধিনায়ক ব্রুক। ৬৬ বলে ১১ চার ও ৯ ছক্কায় অপরাজিত ১৩৬ রান করেন তিনি। ১০৮ বলে ১১১ রানে অপরাজিত ছিলেন জো রুট।
অবশ্য ইংলিশ দুই ওপেনার সুবিধা করতে পারেননি, রেহান আহমেদ (২৪) ও বেন ডাকেট (৭) ফেরেন দ্রুত। এরপর জো রুট ও জ্যাকন বেথেল গড়েন ১২৪ বলে ১২৬ রানের জুটি। বেথেল ফেরেন ৭২ বলে ৬৫ রান নিয়ে।
বেথেল ফেরার পর মাঠে আসেন ব্রুক। রুটকে সাথে নিয়ে শেষ ১৯ ওভারে ঝড় তুলেন তিনি। ১১৩ বলের জুটিতে যোগ করেন ১৯১ রান। ৪২ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন ব্রুক।
পরের অর্ধশতক তুলতে তার লাগে মাত্র ১৭ বল। ৫৯ বলে পৌঁছান তিন অঙ্কে। অন্যদিকে রুট তুলে নেন তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের বিশতম সেঞ্চুরি। ইনিংসটি সাজান অভিজ্ঞতার ছাপে।
বড় রান তাড়ায় ৭.৩ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৮৫ রান তুলে লড়াইয়ের আভাস দেয় শ্রীলঙ্কা। তবে এরপর পাথুম নিশানকা ২৫ বলে ৫০ রানে আউট হলে ধাক্কা খায় তারা।
এরপর হাল ধরেন পাভান রত্নায়েকে। সেঞ্চুরিও হাঁকান তিনি। খেলেন ১১৫ বলে ১২১ রানের ইনিংস। তবে অন্যরা বড় ইনিংস খেলতে না পাড়ায় রান তাড়া সফল হয়নি শ্রীলঙ্কার। গুটিয়ে যায় ২০ বল বাকি থাকতেই।
ইংল্যান্ডের হয়ে বল হাতে ২টি করে উইকেট নেন জেমি ওভারটন, লিয়াম ডসন, উইল জ্যাকস ও আদিল রশিদ।



