এক দিন আগে গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে গিয়ে বিস্ময়কর এক তথ্য জানান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। জানান বিশ্বকাপ খেলতে না পেরে দু’জন খেলোয়াড় নাকি কোমায় চলে গিয়েছিলেন।
জাতীয় দলের এই সহকারী কোচের এমন মন্তব্যের পর শোরগোল পড়ে যায় ক্রিকেটপাড়ায়। একইসাথে কোন দু’জন ক্রিকেটার এমন অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন, তা জানতেও উদগ্রীব হয়ে উঠে সবাই।
এর মাঝেই শুক্রবার রাতে বিশ্বকাপে খেলতে না পারার দুঃখপ্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হতাশাব্যঞ্জক এক পোস্ট করেন সাইফ হাসান। তিনি লেখেন, ‘সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। আল্লাহ মেহেরবান। আলহামদুলিল্লাহ। বিশ্বকাপ খেলতে না পারার সেই হৃদয়ভাঙা অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে আসা সহজ ছিল না—কারণ সেটাই ছিল আমার প্রথম বিশ্বকাপ, আজীবনের এক স্বপ্ন, যার পেছনে ছিল অসংখ্য পরিশ্রম ও ত্যাগ।’
তার এমন পোস্টের পর নেটিজেন ও ভক্তরা ধরেই নেয়, কোমায় চলে যাওয়া ওই দুই ক্রিকেটারের একজন হয়তো সাইফ। তবে আজ এ ব্যাটার জানালেন, কোমায় চলে যাওয়া ক্রিকেটারের তালিকায় নেই তিনি।
শনিবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাইফ বলেন, ‘জানি না স্যার কাকে নিয়ে বলেছেন। কিন্তু আমি তো না, আমি কোমায় যাইনি। যারা দলে ছিল সবাই কষ্ট পেয়েছে। এটা অস্বীকার করার কিছু নেই।’
এ প্রসঙ্গে সাইফ আরো বলেন, ‘আমার স্ট্যাটাসটা ছিল অদম্য কাপ খেলেছি, সেখান থেকে ভালো একটা শেপে আসতে পেরেছি। সেটা একটা স্বস্তিকর বিষয়। আমি এটাই শেয়ার করেছি।’
বিশ্বকাপে খেলতে না পারায়, দুঃখ ভুলতে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচই দেখেননি বলে জানান তিনি। ‘সত্যি কথা বলতে বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচ দেখি নাই।’
বিশ্বকাপ না খেলে অদম্য কাপ, বিসিএল ওয়ানডে কাপ এ খেলাগুলোতে মন দেয়াটা একটু কষ্ট হয়ে যাচ্ছে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে পেশাদারিত্ব সামনে আনেন সাইফ।
তিনি বলেন, ‘একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে কিন্তু আপনি যত তাড়াতাড়ি মানিয়ে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন ওটাই আপনার জন্য ভালো।’
‘আমাদের চেষ্টা এটাই ছিল যত তাড়াতাড়ি আমরা মুভ অন করতে পারি। এখন চেষ্টা থাকবে সামনে যেই সিরিজগুলো আছে যদি সুযোগ পাই অবশ্যই নিজেকে মেলে ধরার আর নিজেকে একটা ভালো শেপে আনার।’



