একটা সময় মনে হচ্ছিলো, হয়তো দেশের মাটিতে আর ফেরাই হবে না সাকিব আল হাসানের। তবে সময়ের পরিক্রমায় সেই শঙ্কা অনেকটাই দূর হয়েছে।
তামিম ইকবাল বোর্ডে আসার পর সাকিবের আশার পালে ফের হাওয়া লেগেছে। সাবেক নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার স্বপ্ন দেখছেন দেশের মাঠে খেলে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর।
সম্প্রতি মুম্বাইয়ে ইইউ টি-২০ বেলজিয়াম ইভেন্টে জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাকিব। যেখানে নিজের ক্রিকেট ক্যারিয়ার ও দেশের ক্রিকেটসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন তিনি।
এই সময় তার কাছে প্রশ্ন আসে দেশে ফেরা প্রসঙ্গে। জিজ্ঞেস করা হয়, দেশে ফিরে একটি টেস্ট খেলে বিদায় নিতে চান কি না? এমন প্রশ্নের উত্তর অবশ্য সাকিব ছেড়ে দেন সময়ের কাছেই।
সাকিব বলেন, ‘সেটা না হয় পরে দেখা যাবে। তবে আমি বিশ্বাস করি, আজ হোক বা কাল পরিস্থিতির উন্নতি ঘটবে। সময়ের সাথে সবকিছুই ঠিক হয়ে যায়। আমি আশাবাদী, আমি যা চাই, তা পাবো।’
২০২৪ সালে ভারত সফরের পর থেকেই জাতীয় দলের বাইরে সাকিব। তবে বিভিন্ন দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নিয়মিতই খেলে বেড়াচ্ছেন সাকিব। তবে দেশকে ভুলেননি তিনি।
দীর্ঘ সময় বাইরে থাকা সাকিব দেশকে মিস করা নিয়ে বলেন, ‘আমি তো দেশের জন্য অনেক খেলেছি। এখন তরুণদের সুযোগ দেয়ার সময়।’
বাংলাদেশ দলের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ তারকাদের নিয়েও আশার কথা শোনান সাকিব। তার মতে বাংলাদেশ এখন আর আগের মতো নির্দিষ্ট কারো ওপর নির্ভরশীল নয়।
তিনি বলেন, ‘একটা সময় বাংলাদেশ দল ব্যক্তি-নির্ভর ছিল, কিন্তু এখন দল হিসেবে তারা দারুণ খেলছে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে জয়ই তার প্রমাণ। এখন আর আগের মতো ব্যক্তি-কেন্দ্রিক খেলা নেই, বরং পুরো দল মিলে পারফর্ম করছে—এটাই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ।’
বাংলাদেশ ক্রিকেটে এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত নাম নাহিদ রানা। দারুণ সময় পার করছেন এই পেসার। তাকে নিয়ে আশাবাদী সাকিবও। তবে দিলেন সতর্কতাও। বলেন-
‘নাহিদ রানাকে আমাদের খুব যত্ন করে গড়ে তুলতে হবে। সে এখনো অনেক তরুণ। ওর প্রতিভা আর মানসিকতা অসাধারণ, তবে সঠিক নির্দেশনার প্রয়োজন আছে। ঠিকভাবে পরিচালনা করা গেলে, সে বড় সম্পদে পরিণত হবে।’



