ইনিংস বড় করতে পারছেন না পারভেজ ইমন। প্রথম ম্যাচে ১৪ রান করার পর গতরাতে থেমেছেন ১২ রানেই। তবে বল হাতে ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন মোস্তাফিজুর রহমান।
তবে শুধু ইমন নয়, ব্যাট হাতে লাহোরকে সাপোর্ট দিতে পারেনি কেউই। সেই ব্যর্থতা সামাল দিতে চমৎকার বোলিং করেন শাহিন আফ্রিদি ও মোস্তাফিজ, তবে শেষ পর্যন্ত ৪ উইকেটে হেরে যায় করাচির কাছে।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১২৮ রানের বেশি করতে পারেনি লাহোর। জবাবে হারিস রউফের বাজে বোলিংয়ের সুযোগে ৩ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় করাচি।
শাহিন আফ্রিদি ও মোস্তাফিজের প্রচেষ্টায় অল্প পুঁজি নিয়েও অবশ্য জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলে লাহোর। কিন্তু তাদের বোলিং ম্লান করে শেষ ওভারে এসে জিতে যায় করাচি কিংস।
দুই ম্যাচে করাচির এটি দ্বিতীয় জয়। অন্য দিকে জয় দিয়ে যাত্রা শুরুর পর দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম পরাজয় পেল লাহোর।
টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় লাহোর। ফখর জামান মাত্র ১ রান করে বিদায় নেন। মোহাম্মদ নাঈমও বেশি সময় টিকতে পারেননি (১৩)। তিন নম্বরে নেমে আব্দুল্লাহ শফিক করেন ২৪ বলে ৩৩ রান।
এরপর ৮.২ ওভারে দলীয় ৬২ রানে আউট হন পারভেজ ইমন। ১২ বলে ১২ রান করে সালমান আগার শিকার হন তিনি।এরপর হাসিবউল্লাহ খান (২৮) ও সিকান্দার রাজা (১৯) রান করলে লড়াইয়ের পুঁজি পায় দল।
করাচির হয়ে মঈন আলি, মীর হামজা ও অ্যাডাম জাম্পা নেন ২টি করে উইকেট।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ডেভিড ওয়ার্নার ও সালমান আগার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে করাচি। তবে মোহাম্মদ ওয়াসিম (৩৮) ও সাদ বেগ (১৯) জুটি গড়ে দলকে ম্যাচে ফেরান।
এই জুটি ভাঙেন মোস্তাফিজ, নিজের প্রথম ওভারেই সাদকে ফেরান তিনি। চার ওভারে মাত্র ২০ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়ে দারুণ বোলিং করেন এই বাঁহাতি পেসার।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৪ রান দরকার ছিল করাচির। নাটকীয় মুহূর্তে পেনাল্টি পায় করাচি। লাহোরের বিরুদ্ধে বলের আকৃতি পরিবর্তনের উঠায় ৫ রান জরিমানা করেন ম্যাচের দুই আম্পায়ার।
ফলে লক্ষ্য নেমে আসে ৯ রানে। হারিস রউফকে পরপর চার-ছক্কা যে সমীকরণ মিলিয়ে ফেলেন আব্বাস আফ্রিদি। ১৮ রানে ৪ উইকেট নিয়েও দলকে জেতাতে পারেননি শাহিন আফ্রিদি।



