ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) বল হাতে আবারো দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখালেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের জয়ে বড় অবদান রেখেছেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার।
৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সে ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতে। এর আগে নিজের প্রথম ম্যাচেও বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন মিরাজ, সেন্ট লুসিয়া কিংসের বিপক্ষে মাত্র ১৩ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং নেয় গায়ানা। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ত্রিনবাগোর ব্যাটারদের চাপে রাখে তারা। সেই চাপ আরো বাড়িয়ে দেন মিরাজ। নিজের প্রথম ওভার থেকেই আঁটসাঁট বোলিং করেন তিনি।
পরে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে ত্রিনবাগোর বড় সংগ্রহের পথ বন্ধ করে দেন। মিরাজের শিকারদের মধ্যে ছিলেন কলিন মুনরো ও নিকোলাস পুরান। মুনরো ২৬ রান করে ফেরেন, আর পুরান রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
পরে আরো ২টি উইকেট নেন। ফেরান সুনীল নারিন ও জিদ গোলিকে। ২৪ বলের স্পেলে একটি মেডেনসহ রান দিয়েছেন মাত্র ২৩। মিরাজের সাথে গায়ানার বোলিং আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন শামার জোসেফ ও ইমরান তাহির।
ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রানেই থামে ত্রিনবাগো। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জাস্টিন গ্রিভস। এছাড়া কলিন মুনরো করেন ২৬ রান।
জবাবে ১২৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত ব্যাটিং করে গায়ানা। শাই হোপের ৪২ রানের ইনিংস দলকে এগিয়ে নেয়। মাঝপথে কয়েকটি উইকেট হারালেও লক্ষ্যে পৌঁছাতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি তাদের।
১৮.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান তুলে ৮ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে গায়ানা। ব্যাট হাতে অবশ্য মিরাজের অবদান ছিল সামান্য। ১৪ বল খেলে করেন ২ রান। তবে ম্যাচের মূল পার্থক্য গড়ে দিয়েছে তার বোলিং। তাতে ম্যাচসেরার পুরস্কারও পান তিনি।
সিপিএলে মিরাজের এই পারফরম্যান্স তার জন্য বিশেষ গুরুত্বের। ২০১৭ সালে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের দলে থাকলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি তিনি। এবার গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে মাঠে নেমে নিজের সামর্থ্যের জানান দিচ্ছেন তিনি।



