ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) ফিরেই আলো ছড়ালেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, ফিফটি করেছেন মুশফিকুর রহিম। বল হাতে ঝলক দেখিয়েছেন তাইজুল ইসলাম।
পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের নায়ক মুশফিক ও তাইজুল। দু’জনেই আজ মাঠে নেমেছিলেন ডিপিএলে, মোহামেডানের জার্সিতে। যোগ দিয়েই ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটির শক্তি দিয়েছেন বহুগুন বাড়িয়ে।
তাদের নৈপুণ্যে সপ্তম রাউন্ডের ম্যাচে ২৩৭ রানের বিশাল ব্যবধানে গুলশান ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়েছে মোহামেডান। আগে ব্যাট করে সাদা-কালোদের করা ৯ উইকেটে ৩৪৫ রানের বিপরীতে গুলশান থেমেছে ১০৮ রানে।
বিকেএসপিতে তাওহিদ হৃদয় এদিনও রান পেয়েছেন। পাঁচ ম্যাচে এসে পেয়েছেন তৃতীয় ফিফটি। যদিও হাতছাড়া করেছেন চলমান লিগে প্রথম সেঞ্চুরি। আউট হন ৭৭ বলে ৮৬ রান করে।
এছাড়া পাকিস্তান সিরিজে প্লেয়ার অব দ্য সিরিজ হওয়া মুশফিকুর রহিম ৬২ বলে করেন ৭২ রান। তৃতীয় উইকেটে হৃদয়ের সাথে ৮২ বলে ১০৮ ও ৪র্থ উইকেট জুটিতে আফিফের সাথে ৬৬ বলে ৭০ রানের জুটি করেন তিনি।
আফিফ এদিন ৫১ বলে ৫৫, ইয়াসির আরাফাত ২০ বলে ২৯, সাইফউদ্দিন ২৪ বলে ৫৫ রান করেছেন। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ধ্রুব-ইয়াসির ৩০ বলে যোগ করেছেন ৭৮ রান।
লশান ক্রিকেট ক্লাবের আবির পেয়েছেন ৪ উইকেট (৪/৫৩)। তার মধ্যে ইনিংসের শেষ ওভারে পেয়েছেন তিনি ৩ উইকেট।
রান তাড়ায় দুই স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও তানভীর ইসলামের তোপে দাঁড়াতেই পারেনি গুলশান। ৩৩.২ ওভারে ১০৮ রানে অলআউট হয়েছে দলটা। তাইজুল ২৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে হয়েছেন ম্যাচ সেরা। ৩৭ রানে ৪ উইকেট নেন তানভীর।
এদিকে মোহামেডানের প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক ঐতিহ্যবাহী ক্লাব আবাহনীও পেয়েছে বড় জয়। অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে ৯ উইকেটে জিতেছে তারা। জয়ের নায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, সেঞ্চুরি করেন তিনি।
ইউল্যাব ক্রিকেট মাঠে নাজমুল হোসেন শান্ত খেলেন ৯০ বলে ৭ চার ও ৭ ছক্কায় ১০৮ রানের অপরাজিত ইনিংস। সাথে মাহিদুল ইসলাম করেন ৮৬ বলে ৫৬। দু’জনে গড়েন ১৭১ রানের জুটি।
এর আগে, টসে জিতে ব্যাট করে ৪২.১ ওভারে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় অগ্রণী ব্যাংক। দলটার হয়ে সর্বোচ্চ ৫৮ বলে ৫৬ রান করেন নাসির হোসেন। এছাড়া অধিনায়ক ইমরুল কায়েস করেন ৩০ রান।



