টি-২০ বিশ্বকাপ

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্র-ইতালির ক্রিকেটারদের ভিসা দিচ্ছে না ভারত

এই স্পর্শকাতর ইস্যুতে এখন পর্যন্ত আইসিসি থেকে কিছু জানা যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী, আইসিসি ইভেন্টের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশের খেলোয়াড়দের ভিসা নিশ্চিত করা আয়োজক দেশের দায়িত্ব।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত তিন ক্রিকেটার যুক্তরাষ্ট্রের আলী খান, জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ও যুক্তরাষ্ট্রের ইশান আদিল
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত তিন ক্রিকেটার যুক্তরাষ্ট্রের আলী খান, জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা ও যুক্তরাষ্ট্রের ইশান আদিল |সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র তিন সপ্তাহ। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় বসবে এবারের আসর। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্দা উঠবে এই মেগা ইভেন্টের। তবে এবারের বিশ্বকাপ নিয়ে বিতর্ক যেন শেষই হচ্ছে না।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ভারতের প্রতিপক্ষ যুক্তরাষ্ট্র। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই বড় সঙ্কটে পড়েছে মার্কিন ক্রিকেট দল। যুক্তরাষ্ট্রের চার ক্রিকেটারকে ভিসা দিচ্ছে না ভারত।

জানা গেছে- পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হওয়ায় চার মুসলিম ক্রিকেটারকে ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ভারত সরকার। ফলে মাঠে নামার আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলে দিয়েছে ‘ম্যান ইন ব্লুরা।’

গণমাধ্যনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভিসা না পাওয়া চার ক্রিকেটার হলেন- পেসার আলী খান, উইকেটরক্ষক ব্যাটার শায়ান জাহাঙ্গীর, পেসার ইশান আদিল ও লেগ স্পিনার মোহাম্মদ মহসিন।

যার মাঝে আলী খানকে বলা যায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বোলিং অস্ত্র। যিনি কিনা এর আগে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে আইপিএলও খেলেছেন। তার ভিসা না পাওয়া যুক্তরাষ্ট্র দলের জন্য বড় ধাক্কা।

ভিসা না পাওয়ার বিষয়টি আলী খান নিজেই তার ইনস্টাগ্রাম পোস্টে নিশ্চিত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানি বংশদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভিসা না দেয়ায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে আরো বেশ কয়েকটি দেশেরও। চাপে পড়ে গেছে জিম্বাবুয়ে, ইতালি, আরব আমিরাত ও নেদারল্যান্ডসের মতো দেশগুলোও।

জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা স্বয়ং পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত। এ ছাড়া প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাওয়া ইতালি ও নেদারল্যান্ডস দলেও রয়েছেন বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত তারকা।

এই স্পর্শকাতর ইস্যুতে এখন পর্যন্ত আইসিসি থেকে কিছু জানা যায়নি। নিয়ম অনুযায়ী, আইসিসি ইভেন্টের জন্য অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশের খেলোয়াড়দের ভিসা নিশ্চিত করা আয়োজক দেশের দায়িত্ব।