শান্ত-লিটন নৈপুণ্যে বাংলাদেশের লড়াকু সংগ্রহ

তাওহিদ হৃদয় ২৯ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৮ বলে ২২ রান নিয়ে আউট হন অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ। বল হাতে কিউইদের হয়ে ও’রুর্কে ৩ উইকেট নেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
নাজমুল শান্ত ও লিটন দাস
নাজমুল শান্ত ও লিটন দাস |সংগৃহীত

রান প্রসবা চট্টগ্রামে অনেক রান পেল না বটে বাংলাদেশ, তবে পেয়েছে লড়াকু পুঁজি। আগে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান তুলেছে টাইগাররা। এবার বোলাররা নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারলেই হয়।

দলকে লড়াকু সংগ্রহ এনে দিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস মিলে। দুই বছর পর সেঞ্চুরি করেছেন শান্ত। আর আড়াই বছর পর ফিফটির দেখা পান লিটন। দুজনে গড়েন দেড় শ’ রানের জুটি।

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তিন ওভার শেষ না হতেই ফেরেন দুই ওপেনার। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই ফেরেন সাইফ হাসান। ২ বল খেলে ০ রানে আউট হন তিনি।

আর তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই বোল্ড হন তানজিদ তামিম (৫ বলে ১)। ওপরে উঠে খেলতে গিয়ে ব্যাটে ঠিকমতো পাননি, বল ব্যাটে লেগে স্টাম্প ভেঙে দেয়। দুটো উইকেটই নেন ও’রুর্কে।

৩ ওভারে ৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর হাল ধরার চেষ্টা করেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও সৌম্য সরকার। তবে সৌম্যকেও জ্বলে ওঠার আগেই থামিয়ে দেন ও’রুর্কে।

তামিমের মতোই ক্রস করে নিচে খেলতে গিয়ে বল স্টাম্পে টেনে নেন সৌম্য। বোল্ড হয়ে ফেরেন ২৬ বলে ১৮ রান নিয়ে। ৮.২ ওভারে ৩২ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস মিলে ধরেন হাল। শুরুর ধাক্কা সামলে ধীরে ধীরে গুছিয়ে আনেন ইনিংস। গড়ে তোলেন দেড় শ’ রানের জুটি। ১৭৮ বলে যোগ করেন ১৬০ রান।

৩৮.১ ওভারে লিটনের বিদায়ে ভাঙে এই জুটি। তবে ফেরার আগে আড়াই বছরের আক্ষেপ ঘোচান তিনি, ১৮ ইনিংস পর তুলে নেন ফিফটি। খেলেন ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৯১ বলে ৭৬ রানের ইনিংস।

অন্যদিকে শান্ত টানা দ্বিতীয় ফিফটি ছুয়ে তুলে নেন শতকও। ২০ ইনিংস পর ওয়ানডেতে তিন অঙ্কে পৌঁছান তিনি। ২০২৪ সালে শেষবার এই চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন শান্ত।

আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে এটি শান্তর চতুর্থ সেঞ্চুরি। ১১৪ বলে শতক ছোয়ার পর অবশ্য ইনিংসটা আর টানতে পারেননি শান্ত। আউট হয়েছেন ১১৯ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ১০৫ রান নিয়ে।

৪৩ ওভারে দলকে ২২১ রানে রেখে ফেরেন শান্ত। তবে এরপর আর তেমন সুবিধা করতে পারেননি কেউ। হাতে ৫ উইকেট থাকতেও শেষ ৪২ বলে এসেছে মাত্র ৪৫ রান। অন্যথায় সংগ্রহ আরো বড় হতে পারতো।

তাওহিদ হৃদয় ২৯ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ১৮ বলে ২২ রান নিয়ে আউট হন অধিনায়ক মেহেদী মিরাজ। বল হাতে কিউইদের হয়ে ও’রুর্কে ৩ উইকেট নেন।