জিম্বাবুয়ে সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারার হতাশা পেছনে ফেলে নতুন করে শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। শেষ ওয়ানডে জিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানো টাইগারদের লক্ষ্য এবার টি-টোয়েন্টি সিরিজে জয় দিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া।
তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটি অনুষ্ঠিত হবে বুধবার (১৫ জুলাই) বুলাওয়েতে, বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৪টায়। সিরিজের আগে অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় জানিয়েছেন, ভিন্ন ফরম্যাটে অতীতের ব্যর্থতা ভুলে নতুনভাবে শুরু করাই এখন দলের লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে হৃদয় বলেন, ‘এটা দুই দিকের খেলা—হয় আপনি জিতবেন, নয়তো হারবেন। তবে এটা ভিন্ন ফরম্যাট ও ভিন্ন ভেন্যু। আমরা যদি ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, তাহলে অবশ্যই ভালো ফল সম্ভব। কোথায় ভুল করেছি, সেটা আমরা জানি। আশা করি সেই ভুলগুলো শুধরে এই ফরম্যাটে ভালো খেলতে পারব।’
জিম্বাবুয়েকে নিজেদের মাঠে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তবে দলের সামর্থ্যের ওপরও পূর্ণ আস্থা রয়েছে তার।
হৃদয় বলেন,‘হোম কন্ডিশনে জিম্বাবুয়ে ভালো দল। এখানে কিছু চ্যালেঞ্জ অবশ্যই আছে। কিন্তু আমরা নিজেদের শক্তির জায়গাগুলো জানি। গত কয়েকটি সিরিজে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। সেই ধারাটা ধরে রাখতে পারলে অবশ্যই ফল আমাদের পক্ষেই আসবে।’
ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন নিয়ে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করছেন কি না—এমন প্রশ্নে হৃদয়ের জবাব, ‘চাপ সব জায়গাতেই থাকে। একজন পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে চাপ সামলাতে জানতে হয়। নির্দিষ্ট দিনে আমরা যদি ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি, তাহলে ফলও আমাদের পক্ষেই আসবে।’
নিজের ব্যক্তিগত লক্ষ্য সম্পর্কেও স্পষ্ট ছিলেন তিনি। ‘আমার প্রথম লক্ষ্য দলকে জেতানো। যতটা সম্ভব দলকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। অধিনায়কত্ব অবশ্যই গর্বের বিষয়, কিন্তু দিন শেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দলের জয়।’
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার চেয়ে ম্যাচ ধরে এগোতেই আগ্রহী হৃদয়। তার ভাষায়, ‘ম্যাচ বাই ম্যাচ এগোনোটাই সবচেয়ে ভালো। এখন পুরো মনোযোগ আগামীকালের ম্যাচে। ওই দিন যদি আমরা নিজেদের সেরাটা খেলতে পারি, ইনশাআল্লাহ ভালো ফল আসবে।’
বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনের পার্থক্যের কথাও তুলে ধরেন হৃদয়। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সাথে এখানকার উইকেট ও আবহাওয়ার অনেক পার্থক্য। এখানে বেশ ঠান্ডা, উইকেটও ভিন্ন ধরনের। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুত কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেয়াই একজন পেশাদার ক্রিকেটারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।’



