হামের উপসর্গ নিয়ে আরো সাতজনের মৃত্যু আক্রান্ত ১১৯৪

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার মধ্যে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তবে এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি। একই সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে এত হাজার ১৯৪ জন।

গতকাল বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত হামের উপসর্গে দেশে ৯০৯ শিশুর মৃত্যুর হয়েছে। এ সময় হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ১০০ শিশু। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু এক হাজার ৯ জনে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এক হাজার ১৬৫ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২৯ জনের। মোট এক হাজার ১৯৪ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।

১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫০৫ জন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে এক লাখ ৪২ হাজার ৮৮৮ জন হাসপাতাল ছেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে গতকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে এক লাখ ৬৮ হাজার ৭৪৫ জনের। এ সময়ের মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ১৯ হাজার ৯৩৩ জনের।

সিলেটে এক দিন পর ফের মৃত্যু

সিলেট ব্যুরো জানায়, সিলেটে এক দিন মৃত্যুহীন থাকার পর ফের হামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১৫৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে নতুন কোনো নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়নি। এক শিশুর মৃত্যুতে চলতি বছরে সিলেট বিভাগে হাম ও হাম-উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০ জনে। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৪৯৯ জন সন্দেহজনক হাম রোগী।

বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক ডা: মো: মাহবুবুল আলম।

স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ৭১ জন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে, নর্থ ইস্ট মেডিক্যাল হাসপাতালে ৩, পার্কভিউ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১৫, রাগীব-রাবেয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১৩ ও সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।