কূটনৈতিক প্রতিবেদক
দুই দেশের প্রধান যখন কথা বলেন, দ্বিপীয় আলোচনা হয়, তখন অনেক সমস্যা সমাধানের সুযোগ থাকে। সেই সুযোগ তো রয়ে গেছে। ভারতের দিক থেকেও উচিত হবে এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এ কথা বলেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে দ্বিপীয় সফর এবং বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশগ্রহণÑ এই দুইভাবেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে ইতোপূর্বে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি যখন ভারতের মাটিতে বসে কথা বলেন, সেটা বাংলাদেশের জনগণ ভালোভাবে নেবে না, নেয় না। জুলাই এখনো মানুষের মনে জাগ্রত আছে। রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। সুতরাং সেই জায়গায় আমাদের অবশ্যই স্পর্শকাতরতা রয়েছে। তিনি বলেন, বিভিন্ন কাজে প্রধানমন্ত্রী এখন ব্যস্ত আছেন। ভারত সফরসহ অন্যান্য সফর কোনো কিছুই এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সেটা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সাথে আলোচনা করেই চূড়ান্ত হবে। তিনি বলেন, সব দেশ সফরের েেত্রই সরকার পজিটিভ আছে। কিন্তু এটা নির্ভর করবে প্রধানমন্ত্রীর সময়ের ওপরে এবং দুই দেশের আলোচনার কতটুকু এগোচ্ছে সেটার ওপর।
দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন কি নাÑ এমন প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, ব্রিকস তো অনেক দেরি। এক মাসে বহু কিছু হয়ে যেতে পারে। সামনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং সংসদ অধিবেশন রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে আমাদের অনেক কর্মসূচি আছে, সেগুলোর কাজ চলছে। সাংবিধানিক অনেক কাজ আছে। তাই সরকার ব্যস্ত আছে, প্রধানমন্ত্রীও ব্যস্ত আছেন। এর মধ্যে যদি সবকিছু মেলে অবশ্যই ভারত সফর হবে, জাপান সফর হবে, সব দেশেই সফর হবে।


