শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা
বিএনপি চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বিএনপি হচ্ছে জনগণের দল। যতবারই বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে নিরপেক্ষ ইলেকশনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। মৌলভীবাজরে যত উন্নয়ন হয়েছে সবই হয়েছে মরহুম সাইফুর রহমানের সময়ে। তাই সাফ কথা, যদি দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে চান, যদি মা-বোনদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে হয়, কৃষক ভাইদের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে হয়, যদি ৫০ বেড হাসপাতালকে ১০০ বেডে উন্নীত করতে হয়, যদি শিক্ষার্থী সন্তানদের লেখাপড়া ঠিক রাখতে হয়, তাহলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
গতকাল মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলের ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠ আয়োজিত অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে কোনো ষরযন্ত্র সফল হতে পারবে না। জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে বাংলাদেশের গণতন্ত্র কেহ নষ্ট করতে পারবে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কারা নষ্ট করেছিল আমরা সেটি ভালো করে জানি। আমরা দেখেছি দেশ স্বাধীনের সময়, দেশ স্বাধীনের আগে এবং পড়ে প্রতিটি সময় গণতন্ত্র বিনষ্টকারী, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী সবাই এক সাথে ছিল। তারা মুখে মুখে বলত আমরা এক সাথে নেই; কিন্তু ভেতরে ভেতরে তারা সব সময় এক সাথে কাজ করেছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দল সবসময় জনগণের কাতারে ছিল। তাই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের শক্তি। সে জন্যই বিএনপি বলে থাকে, জনগণই সব ক্ষমতার উৎস। আমরা দেখেছি বিভিন্ন সময়ে দেশের জনগণ যখন ফুঁসে ওঠে গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য তখন বিভিন্ন জনকে বিদেশে চলে যেতে। খালেদা জিয়া আপনাদেরকে রেখে কোথাও যাননি। খালেদা জিয়া বলেছিলেন, বাংলাদেশই হচ্ছে আমার প্রথম ঠিকানা, বাংলাদেশই হচ্ছে আমার শেষ ঠিকানা।’
বিএনপি চেয়ারপারসন আরো বলেন, ‘আমরা হচ্ছি খালেদা জিয়ার সৈনিক। তাই বাংলাদেশই হচ্ছে আমাদের শেষ ঠিকানা। আমাদের একটাই কাজ বাংলাদেশে এবং এ দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। এই দেশকে আমাদেরকেই গড়তে হবে। এ দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে শ্রমিকের হাতে রূপান্তর করতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারব।’
তিনি বলেন, ‘যারা বিভ্রান্ত ছড়াতে চায়, তারা বলে ফ্যামিলি কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে? কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে? আপনাদের সাক্ষী রেখে তাদের উদ্দেশে বলতে চাই, আজকে যাদেরকে কার্ড ও অনুদানের চেক দেয়া হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে জনগণের টাকা। আমরা বিগত ১৭ বছর দেখেছি জনগণের টাকা কিভাবে পাচার করা হয়েছিল। জনগণের টাকা জনগণকে না দিয়ে তারা বিদেশে পাচার করে দিয়েছিল।’
তারেক রহমান বলেন, আমরা সবাই যদি চোখ কান খোলা রাখি তাহলে দেশের অর্থ-সম্পদ কেউ বিদেশে পাচার করতে পারবে না। তাই আমাদের প্রতিজ্ঞা হবে একটাই। করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশে, সবার জন্য বাংলাদেশ।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার জন্য আজকে একটা আনন্দের দিন। কয়েক মাস আগে যখন নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়, তখন সিলেটের মাটি থেকে সেই প্রচারণা শুরু করেছিলাম। সেই দিনই সিলেটের জনসভা শেষ করে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে মৌলভীবাজারের শেরপুরে একটি জনসভায় বলেছিলাম, বিএনপি যদি সরকার গঠন করে তাহলে আমাদের চা বাগানে যে মায়েরা কাজ করেন, তাদের জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড দিবো।’
তিনি বলেন, ‘আজকে আল্লাহর কাছে আমি হাজারো শুকরিয়া জানাই, আল্লাহ আমাকে সেই তৌফিক দিয়েছেন, আমি আমার কথা রাখতে পেরেছি। আমার সরকার চা বাগান শ্রমিকদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পেরেছি। হয়ত আমরা সবাইকে ফ্যামিলি কার্ড দিতে পারছি না; কিন্তু ইনশাআল্লাহ আগামী এক বছরের মধ্যে আমরা সব মা চা শ্রমিকদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পারব।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সরকার গঠন করার সাথে সাথে এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আমরা এই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছিলাম। আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার, বাংলাদেশের ও বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। সে জন্য আজকে শুধু ফ্যামিলি কার্ডই নয়, পাশাপাশি চা বাগানের শ্রমিকদের বাড়ি নির্মাণের জন্য ৫০ জন শ্রমিককে দুই লাখ টাকা করে অনুদান আমরা দিয়েছি। আমি স্টেজে তিনজনের হাতে সেই টাকার চেক তুলে দিয়েছি। অন্যদের প্রশাসনের মাধ্যমে সেই টাকা আমরা তুলে দিবো।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যেভাবে মায়েদের হাতে ধীরে ধীরে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিচ্ছি, কৃষকদের হাতে কৃষি কার্ড তুলে দিচ্ছি, সেভাবেই ইমাম মুয়াজ্জিন খতিব ও অন্যান্য ধর্মের ধর্মীয় গুরু আছেন, তাদেরকেও সম্মানীর ব্যবস্থা করছি। সেই সাথে মেধাবী শিক্ষার্থীদের, যারা বই কিনতে পারে না খাতা কলম কিনতে পারে না তাদের হাতেও অর্থ দিচ্ছি সরকারের পক্ষ থেকে। আমরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই। মানুষকে সহযোগিতা করতে চাই- এটাই হচ্ছে বিএনপির রাজনীতি। আমরা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই।’
তিনি বলেন, দেশের সব ৫০ বেডের হাসপাতালকে আমরা ১০০ বেডে উন্নীত করব। তার জন্যও অর্থ বরাদ্দ রেখেছি। যাতে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ মিনিমাম স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন।’
তিনি বলেন, যেই বাজেটে আমরা সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষের জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি, অনেকেই বলছে সেই বাজেট নাকি তারা মানে না। আবার অনেকে বলেছে যেই বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড কৃষি কার্ডের, প্রতিবন্ধী ও শিক্ষার্থী ও মানুষের স্বাস্থ্যসেবার জন্য অর্থ বরাদ্দ রেখেছি, সেই বাজেট নাকি চানাচুরের মতো।’
তিনি বলেন, যেসব ফ্যাক্টরিতে বাংলাদেশের পণ্য উৎপাদন হয়, একই পণ্য যদি কেউ বিদেশ থেকে আমদানি তিনি বলেন, তার ওপর আমরা শুল্ক বাড়িয়ে দিয়েছি, যাতে করে বাংলাদেশের মিল কলকারখানাগুলো রক্ষা পায়। সেই মিল কারখানা যদি ঠিকমতো চলে, তাহলে আমাদের ছেলেমেয়েরা চাকরি করতে পারবে- তাই আমাদের মিল কারখানাগুলোকে প্রটেকশন দিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই বাজেটে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর আগে যে শুল্ক ছিল, সেই শুল্ক আমরা উঠিয়ে নিয়েছি, যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম না বাড়ে। জনগণের কথা চিন্তা করে আমরা ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করেছি। সেই বাজেটকে একটি দল বলে গণবিরোধী বাজেট। যারা গণবিরোধী বাজেট বলে তারা কি কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে? তারা কখনো জনগণের বন্ধু হতে পারে না।’
তিনি বলেন, ‘যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, সেটি সংসদের ভেতরেই হোক, আর বাইরেই হোক, তাদের ব্যাপারে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। এই লোকেরা এবং দলগুলো দেশে যদি অশান্তি করার সুযোগ পায়, তাহলে আমরা এইসব কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারব না। এই লোকগুলো যদি দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে, তাহলে এই যে আজকে সহযোগিতা করলাম, নিত্যপণ্যের ওপর থেকে ট্যাক্স প্রত্যাহার করলাম- সেটা কন্টিনিউ করতে পারব না। তাই তাদের ব্যাপারে সতর্ক এবং জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, জাতীয় সংসদের হুইপ জিকে গউছ, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, আবদুল মালেক, তাহসিনা রুশদীর লুনা, নাসির উদ্দিন আহমেদসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের তৃতীয় পর্যায় উদ্বোধন
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনো দলের সরকার নয় এটি বাংলাদেশের সব শ্রেণী-পেশার মানুষের সরকার। যারা ভোট দিয়েছেন তাদের যেমন সরকার, যারা ভোট দেননি তাদেরও সরকার। দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিক সরকারের সব সুবিধা সমানভাবে পাবেন। আমরা সবার জন্য কাজ করতে চাই। বাংলাদেশের নাগরিক হলেই সে এই সব সুবিধা পাবে। গতকাল মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে এই দেশকে স্বাধীন করেছিল এই দেশের জনগণ। বিদেশ থেকে কেউ এসে স্বাধীনতা এনে দেয়নি। একইভাবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছেও এই দেশের সাধারণ মানুষ ছাত্র-জনতা, নারী-পুরুষ সবাই মিলে রাজপথে নেমে এসে। এ ছাড়া এই দেশকে স্বাধীন করেছে বাংলাদেশের জনগণ। এই দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করেছে বাংলাদেশের জনগণ। কাজেই দেশকেও গড়ে তুলবে এই বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরো বলেন, বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে এই দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতা সম্পূর্ণরূপে কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ভোটের অধিকার ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল, কথা বলার অধিকার হরণ করা হয়েছিল । সেই অন্ধকার অধ্যায়ের বিরুদ্ধে গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশের মানুষ রাজপথে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। অবশেষে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং হারানো অধিকার পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, দেশের মানুষ শান্তি চায়, ভালোভাবে বেঁচে থাকতে চায়। বর্তমান সরকার আপনাদের জন্য কাজ করছে, দেশের জন্য কাজ করছে। এই যে আমরা ফ্যামেলি কার্ড দিলাম এটা সব ধরনের মানুষ পেয়েছে না? আমরা সরকার জনগণের অর্থ দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। জনগণের অর্থ যাতে সঠিকভাবে জনগণের জন্য এবং দেশের ব্যবহৃত হয়।
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামেলি কার্ড পৌঁছে দিতে চায়, বাংলাদেশের তিন কোটি কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড তুলে দিতে চায়, প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদের হাতে নতুন জামা ও স্কুল ব্যাগ তুলে দিতে চায়, ইমাম ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের ন্যূনতম সম্মানী ব্যবস্থা করে দিতে চায়, এই দেশের খালগুলোকে খনন এবং পূর্ণ খনন করতে চায়, এই দেশের মানুষ বুক ভরে শ^াস নিতে চায় তার জন্য বৃক্ষরোপণ করতে চায়। আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগাতে চায়।
তিনি বলেন, আমরা যে বাজেট উপস্থাপন করেছি, তাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় ৬০টি পণ্যের ট্যাক্স তুলে নিয়েছি, যাতে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে চলে আসে।
তিনি বলেন, জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি আগামী ৫ বছর পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করবে। জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি পালন করতে কাজ করবে। তাহলে আমার প্রশ্ন জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে, যারা বলে বিএনপিকে সময় দেয়া যাবে না তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কি করা উচিৎ? তাদের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।
মূল বক্তব্যের শেষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের হাতে আজকে আমি এই দেশের নিরাপত্তা, উন্নয়ন, ভবিষ্যত শপে দিয়ে গেলাম।
মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একযোগে দেশের ২০টি জেলায় ফ্যামেলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ফ্যামেলিী কার্ড বিতরণের পাশাপাশি দুস্থ অসহায়দের সহযোগিতা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে অর্থ সহায়তা, পাহাড়ি নৃ-গোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি প্রদান, চা শ্রমিকদের মধ্যে বরাদ্দ ও অসহায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃত্তি তুলে দেন তিনি।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, হুইপ জি কে গৌছ, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, মৌলভীবাজার-১ আসনের সংসদ সদস্য নাসির উদ্দীন আহমেদ মিঠু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জহরত আদিব চৌধুরী, জেলা পরিষদ প্রশাসক মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন, সদস্যসচিব আব্দুর রহিম রিপন।
এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য তাহমিনা রুশদীর লুনা, সংসদ সদস্য আব্দুল মালিক সহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ ছাড়াও দলীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে সন্ধ্যায় মৌলভীবাজারের দুসাই রির্সোটে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সভা হয়। সেখান থেকে তিনি সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি নেত্রী অসুস্থ খালেদা রাব্বানীকে দেখতে যান।



