নিজস্ব প্রতিবেদক
- ১৩৩ অধ্যাদেশের ৪০টি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে একাধিক বৈঠক শেষে ২ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন জমা
- অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে জুলাই জন-আকাক্সক্ষা অগ্রাধিকার পাবে : বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন
- অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে কিছু সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে : সালাহউদ্দিন
- জুলাই বিপ্লবের আকাক্সক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনে সংবিধান পরিবর্তনে প্রস্তুত জামায়াত : রফিকুল ইসলাম খান
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারিকৃত ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম বৈঠকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ-২০২৬’ নিয়ে সর্বসম্মত মত পোষণসহ ৪০টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন বলেছেন, যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জুলাই জন-আকাক্সক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে এবং কোনো অধ্যাদেশ সংবিধান পরিপন্থী কি না, তাও পরীক্ষা করা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কোন অধ্যাদেশ গ্রহণযোগ্য, কোনটি সংশোধনযোগ্য এবং কোনটিতে আরো পরিবর্তন প্রয়োজন-এসব বিষয়েই পরবর্তী বৈঠকগুলোতে আলোচনা চলবে। বৈঠকে জামায়াতের প্রতিনিধি ও বিরোধীদলীয় হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, জুলাই বিপ্লবের আকাক্সক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনে সংবিধান পরিবর্তন করতেও তারা প্রস্তুত।
গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, সরকারদলীয় চিফ হুইপ মো: নুরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান, ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো: আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, জামায়াতদলীয় এমপি অধ্যাপক মো: মুজিবুর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও জি এম নজরুল ইসলাম।
সূত্র জানায়, বৈঠকের শুরুতে চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ছাত্র-জনতার রূহের মাগফিরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা ও মুনাজাত করা হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকারের জারিকৃত অধ্যাদেশগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্ব ছিল ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ-২০২৬’। এই অধ্যাদেশের বিষয়ে বৈঠকে উপস্থিত সবাই একমত পোষণ করেন। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশসহ ৪০টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়। অধ্যাদেশগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও যথার্থতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট আকারে তা জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের বিষয়ে এক মিটিংয়ে ফয়সালা করা সম্ভব না। তাই আরো কয়েক দফা বৈঠকে বসতে হবে। তবে অনেক বিষয়ে একমত হওয়া গেছে। জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি সংক্রান্ত অধ্যাদেশের বিষয়ে সবাই একমত প্রকাশ করেছেন। আগামীতে কোন অধ্যাদেশ গ্রহণ করা যায়, কোনটা সংশোধন করে নেয়া যায়, আর কোনটার ক্ষেত্রে আরো পরিবর্তন লাগবে, সেগুলো নিয়েই আলোচনা হবে। অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে কিছু সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করা হচ্ছে। আবার কিছু অধ্যাদেশে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী জন-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন। যাচাই-বাছাইয়ে জন-আকাক্সক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হবে।
বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান জানান, সংসদে উত্থাপিত ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার কাজ শুরু হয়েছে। আমরা ২ এপ্রিলের মধ্যে রিপোর্ট তৈরি করব। সংবিধান এবং জন-আকাক্সক্ষা দুটোকে সমন্বয় করে এগিয়ে যেতে চাই। সংবিধান অবশ্যই সবার থেকে এগিয়ে থাকে। তিনি বলেন, সব সিদ্ধান্ত এখনই জানানো যাবে না। রিপোর্ট যখন প্রকাশ হবে তখন বলা যাবে। আমরা মধ্যপথে আছি, এগোচ্ছি।
বিশেষ কমিটির সুপারিশের সাথে সাথে অধ্যাদেশ সরাসরি আইনে পরিণত হয় না, উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, কমিটি তাদের মতামত ও সুপারিশ সংসদে পেশ করবে, পরে সংসদই চূড়ান্তভাবে ঠিক করবে কোন অধ্যাদেশগুলো আইনে পরিণত হবে।
সংসদ সচিবালয়ের তথ্য মতে, ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী। পরে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিনের নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ১৫ মার্চ সংসদ অধিবেশনে সংসদে উত্থাপিত অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠিয়ে ২ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কোনো অধ্যাদেশ জারি করলে এরপর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে ওই অধ্যাদেশ তুলতে হয়। সংসদ গ্রহণ না করলে অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারায়।
বৈঠক শেষে বিশেষ কমিটির সদস্য জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই বিপ্লবের আকাক্সক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে প্রয়োজনে সংবিধান পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। তিনি বলেন, সংবিধান মানুষের জন্য, সংবিধানের জন্য মানুষ নয়। তাই জুলাই বিপ্লবের আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে সংবিধানের কোনো ধারা পরিবর্তন করার প্রয়োজন হলে তা করা হবে।
রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আজকের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠকে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ধারাবাহিকভাবে আলোচনা চলছে; কোনো কোনো অধ্যাদেশের ব্যাপারে আমরা একমত হয়ে গেছি, আর কিছু বিষয় নিয়ে পরবর্তী মিটিংয়ে আলোচনা হবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ছাত্রদের চাকরির বয়সসীমা ৩২ বছর করার বিষয়ে তারা প্রায় একমত হয়েছেন। জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষায় প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ নিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধাদের সুরক্ষার বিষয়ে আমরা একমত। তবে এ বিষয়ে আরো কিছু আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।’
সংবিধান ও জুলাই আকাক্সক্ষার মধ্যে কোনটি প্রাধান্য পাবে- এমন প্রশ্নের উত্তরে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা জুলাই আকাক্সক্ষাকে অবশ্যই প্রাধান্য দেব। কারণ জুলাই বিপ্লব না হলে আমরা আজকে সংসদ ভবনে আসতে পারতাম না। এটাকে আমরা প্রায়োরিটি দেব।’ তিনি আরো যোগ করেন, সংবিধান কুরআন বা ওহি নয়; তাই দেশের ও জনগণের প্রয়োজনে তা পরিবর্তন করা যেতেই পারে।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের কড়া সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, আগের ফ্যাসিবাদী সরকারের সাধারণ সম্পাদক সংবিধানের দোহাই দিয়ে অনেক কিছু করেছেন। তারা বলতেন সংবিধানের বাইরে এক চুল নড়বেন না। কিন্তু জামায়াত বিশ্বাস করে, জুলাই চেতনাকে সমুন্নত রেখে সংবিধান পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে তা করা হবে।
রফিকুল ইসলাম খান স্পষ্ট করেন যে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শুরু থেকেই বলে আসছেন তারা শুধু বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা করবেন না। দেশের ও জনগণের স্বার্থে যেকোনো বিষয়ে সরকারকে সমর্থন দেয়া হবে। তবে দেশ, জনগণ বা ইসলামের বিরুদ্ধে যায়- এমন যেকোনো বিষয়ে শক্ত অবস্থান নেয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো অধ্যাদেশ ইসলামের বিরুদ্ধে যাচ্ছে বলে মনে হয়নি বলে জানান তিনি।
বিশেষ কমিটির প্রথম সভায় যে ৪০ অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা : বিশেষ কমিটির বৈঠকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারিকৃত অধ্যাদেশগুলোর মধ্যে ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (ঝঢ়বপরধষ ঝবপঁৎরঃু ঋড়ৎপব) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’; ‘মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘বাংলাদেশ বেসরকারি রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোয় সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ অধ্যাদেশ, ২০২৪’; ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলো সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘জাতির পিতার পরিবার-সদস্যগণের নিরাপত্তা (রহিতকরণ) অধ্যাদেশ, ২০২৪’; ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’; ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ ট্র্যাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘চৎড়ঃবপঃরড়হ ধহফ ঈড়হংবৎাধঃরড়হ ড়ভ ঋরংয (অসবহফসবহঃ) ঙৎফরহধহপব, ২০২৫’; ‘চৎড়ঃবপঃরড়হ ধহফ ঈড়হংবৎাধঃরড়হ ড়ভ ঋরংয (অসবহফসবহঃ) ঙৎফরহধহপব, ২০২৬’; ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’; ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’; ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘পরিত্যক্ত বাড়ি (সম্পূরক বিধানাবলি) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫’; ‘রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ, ২০২৫’, এবং ‘স্থানিক পরিকল্পনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কমিটির পরবর্তী বৈঠক আজ দুপুরে বসবে বলে জানা যায়। এ বৈঠকে অন্য অধ্যাদেশগুলো নিয়ে আলোচনা ও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



