গাজায় বিশুদ্ধ পানি থেকে বঞ্চিত ৮২ শতাংশ বাসিন্দা

Printed Edition

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

পানি সঙ্কটের মুখে অবরুদ্ধ গাজার বাসিন্দারা। কারণ পান করা ও রান্নার জন্য দৈনিক ছয় লিটার পানিও সংগ্রহ করতে পারছে না অধিকাংশ পরিবার। অক্সফামের তথ্য মতে, ৮২ শতাংশ গাজার বাসিন্দা বিশুদ্ধ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। জাতিসঙ্ঘ-নেতৃত্বাধীন গ্লোবাল ওয়াশ ক্লাস্টারের মতে, যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চলের পানি সরবরাহ পরিকাঠামোর একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জাতিসঙ্ঘ-নেতৃত্বাধীন গ্লোবাল ওয়াশ ক্লাস্টারের মতে, যুদ্ধের কারণে এই অঞ্চলের পানি সরবরাহ পরিকাঠামো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ফলে ৮০ শতাংশ মানুষ ট্রাকে করে আনা পানির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ইউনিসেফ বলছে, গাজার ১১ লাখ শিশুর জন্য নিরাপদ পানির জোগান একটি দৈনন্দিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ এই অঞ্চলের বিশুদ্ধ পানি সরবরাহব্যবস্থা খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। দেখা গেছে, পানি বিতরণের সময়, হাতের কাছে পাওয়া যেকোনো পাত্র নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে ফিলিস্তিনিরা।

ইউনিসেফ আরো বলছে , গাজার অধিকাংশ পরিবার পানি সঙ্কটে ভুগছে। পানি পান, রান্না করা ও অন্যান্য প্রয়োজনে ন্যূনতম পরিমাণ পানি পেতেও হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

অক্সফামের তথ্য মতে, ৮২ শতাংশ গাজার বাসিন্দা বিশুদ্ধ পানির সুবিধা থেকে বঞ্চিত। তাই গাজার এই পানি সঙ্কটকে তুলে ধরতে জি-৭ সম্মেলনে কিছু দূরে একটি প্রতীকী বিক্ষোভের আয়োজন করে আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি। এখানে দেখা গেছে, জি-৭ নেতাদের অনুকরণে একটি টেবিলের চার পাশে কাগজের মণ্ড দিয়ে তৈরি মাথা পরেছে অধিকার কর্মীরা। টেবিলের মধ্যে গাজা লেখা একটি ময়লা বোতল সামনে রাখা। আর বিশুদ্ধ পানি পান করছেন নেতারা। মূলত গাজার পানি সঙ্কটের বিষয়টি বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরতেই এই আয়োজন করে অক্সফাম।

এদিকে ভূমধ্যসাগরে আন্তর্জাতিক নৌসীমায় গত মাসে গাজার উদ্দেশে যাত্রারত একটি ত্রাণবাহী ফ্লোটিলায় অভিযানের সময় ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তদন্ত করছে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি)। এ তদন্তে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ক্যানবেরায় নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত হিলেল নিউম্যান।