তাহিরপুরে ঘরে ঢুকে শিক্ষককে কুপিয়ে জখম

Printed Edition

তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পূর্ববিরোধের জেরে বসতবাড়ির উঠানে ঢুকে নজরুল ইসলাম (৩২) নামে এক শিক্ষককে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামড়াবন্দ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আহত নজরুল ইসলাম উপজেলার ব্রাহ্মণগাঁও আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মাথায় ১১টি সেলাই দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় একই গ্রামের মানিক মিয়া (৪৫) ও পিয়ারা বেগমের (৪৮) বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ময়না আক্তার (৩৭)।

জানা যায়, জায়গা-জমি নিয়ে ময়না আক্তারের সাথে অভিযুক্তদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। ঘটনার দিন ময়না আক্তার বাড়ির উঠানে কলার মোচা কাটার সময় তার কাচি পড়ে যায়। পরে বাড়ির ভাড়াটিয়া শিক্ষক নজরুল ইসলাম বাঁশের মাথায় কাচি বেঁধে দিতে উঠানে গেলে অভিযুক্তরা ময়না আক্তার ও তার চার বছরের শিশুসন্তানের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ করা হয়। একপর্যায়ে মানিক মিয়া দা নিয়ে ময়নাকে ধাওয়া করেন। এ সময় নজরুল ইসলাম প্রতিবাদ করলে তাকে মাথায় কোপ দেয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। তাহিরপুর থানার ওসি ফারুক আহমেদ বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।