বিশেষ সংবাদদাতা
সরকার নির্ধারিত মূল্যে ভোক্তারা এলপি গ্যাস কিনতে পারবেন- এমন নিশ্চয়তা দিতে পারছে না বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য ঘোষণা উপলক্ষে গতকাল রোববার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। বাজারে সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে নির্ধারিত দাম বাস্তবে কার্যকর করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে তিনি স্বীকার করেন।
বিইআরসি জানায়, জানুয়ারি মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের মাসে এই সিলিন্ডারের দাম ছিল এক হাজার ২৫৩ টাকা। নতুন এ দাম রোববার সন্ধ্যা থেকেই কার্যকর হয়েছে।
একই সাথে অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। জানুয়ারি মাসে অটোগ্যাসের নতুন মূল্য লিটারপ্রতি ৫৯ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের মাসের তুলনায় দুই টাকা ৪৮ পয়সা বেশি। ডিসেম্বর মাসে অটোগ্যাসের দাম ছিল লিটারপ্রতি ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা।
সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, কমিশন এলপি গ্যাস আমদানিকারক কোম্পানিগুলোর সব ধরনের ব্যয় আমদানি মূল্য, পরিবহন, শুল্ক ও অন্যান্য খরচ হিসাব করেই ভোক্তা পর্যায়ের দাম নির্ধারণ করে। তবে কমিশন যে দাম ঘোষণা করে, বাজারের বাস্তবতায় ভোক্তারা সেই দামে পণ্য কিনতে পারবেন এ নিশ্চয়তা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা নির্ধারিত দামের বিষয়ে কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে আশ্বাস পাই। এলপি গ্যাস অ্যাসোসিয়েশন আমাদের জানিয়েছে, তারা নির্ধারিত দামেই সরবরাহ করছে। কিন্তু ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা পর্যায়ে অতিরিক্ত দাম নেয়ার অভিযোগ নিয়মিত আসছে।’



