(গত দিনের পর)
কিন্তু তার বুকের ভেতরের পৃথিবীটা অশান্ত ও অস্থির, যেন থমকে আছে বড় কোনো ঝড়ের অপেক্ষায়। লাউতান সিংহের ক্রোধ এবং ত্রিশূলের আঘাতে তার প্রিয় জিনিসগুলো ভেঙে ফেলার দৃশ্য তার মনে বারবার ভেসে উঠছে। সেই ভাঙা টুকরোগুলো যেন মেরিন্তারাকে বলছে, ‘বদলা নাও... তোমার কৌতূহলী মনকে মুক্তি দাও।’
দ্বিতীয় অধ্যায় : জল-ডাইনির সাথে চুক্তি
এমন সময় কাঁকড়া-কবি প্রবেশ করে মেরিন্তারার কক্ষে। সে ধীর কণ্ঠে বলে, ‘মেরিন্তারা, তোমার বাবা লাউতান সিংহ তোমাকে ভালোবাসেন। তিনি যেটা বলেছেন তা মিথ্যে নয়। মানুষের জগৎ বড় ভয়ঙ্কর। তাদের হাসি-খুশি মুখের আড়ালে লুকিয়ে আছে প্রতিহিংসা, প্রতিশোধ, রাগ, দুঃখ, কষ্ট, লোভ আর লালসা।’
মেরিন্তারা উঠে বসে। তার চোখে এখন আর অভিমান নেই, আছে এক অদম্য জেদ। ‘কবি! ডাঙার রাজকুমারকে আমি দেখেছি। সে ছিল আকাশের আলোর মতো উজ্জ্বল। সব মানুষ খারাপ হতে পারে না। (চলবে)



