বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর কমান্ড সেফটি সেমিনার-২০২৬ গতকাল ঢাকা সেনানিবাসস্থ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারের ফ্যালকন হলে অনুষ্ঠিত হয়, যা অপারেশনাল উৎকর্ষতা ও উড্ডয়ন নিরাপত্তার প্রতি তাদের অব্যাহত অঙ্গীকারকে পুনরায় তুলে ধরে। অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, প্রধান অতিথি ছিলেন এবং ফ্লাইট সেফটি ট্রফি বিতরণ করেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (পরিকল্পনা) এয়ার ভাইস মার্শাল জাভেদ তানভীর খান নিয়মিতভাবে এ ধরনের সেমিনার আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বিমান বাহিনী সদর দফতর কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক উদ্যোগ সম্পর্কে আলোকপাত করেন।
সমাপনী বক্তব্যে এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বিমান বাহিনীর উড্ডয়ন সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বাহিনীর সব সদস্যকে তাদের অসামান্য অবদানের জন্য বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ মহড়া, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উল্লেখযোগ্য মিশন- যেমন ফেরি ফ্লাইট, জাতীয় নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম, ভিভিআইপি দায়িত্ব, দুর্যোগ মোকাবেলা এবং মেডিভ্যাক-ক্যাসেভ্যাক অপারেশন-সফলভাবে সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে অসাধারণ দক্ষতা ও নিষ্ঠা প্রদর্শনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। সে সাথে সেফটি ট্রফি প্রাপ্তদের অসামান্য অবদানের জন্য অভিনন্দন জানান এবং একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা সংস্কৃতির মাধ্যমে জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় বিমান বাহিনীর অটল প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশারকে আন্তঃঘাঁটি ফ্লাইট সেফটি ট্রফি এবং উড্ডয়ন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ স্কুল (এফআইএস) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে ২০২৫ সালের সর্বোচ্চ নিরাপদ উড্ডয়ন ঘণ্টা অর্জনের জন্য আন্তঃবহর খাদেমুল বাশার ফ্লাইট সেফটি ট্রফি দেয়া হয়। এ ছাড়া, এ বছর সেরা বিমান প্রকৌশল বহর হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ‘বেস্ট এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ারিং স্কোয়াড্রন ট্রফি’ দেয়া হয়। এ ছাড়াও ১০১ স্পেশাল উড্ডয়ন ইউনিট ‘অ্যাকসিডেন্ট-ফ্রি ইয়ার অ্যাওয়ার্ড ট্রফি’ লাভ করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিমান সেনারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জাতিসঙ্ঘ মিশন এলাকাসহ বিমান বাহিনী ঘাঁটি-স্টেশন-ইউনিটের নির্বাচিত কর্মকর্তা, বিমানসেনা এবং অসামরিক ব্যক্তিরা ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে উক্ত সেমিনারে অংশ নেন। আইএসপিআর।



