নিকো হক
হ্রদটি সৌন্দর্যে অনন্যা; বিশালতায় দারুণ। বলছি ‘উইনিপেগ হ্রদে’র কথা। এটি উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডার একটি বিখ্যাত হ্রদ; ম্যানিটোবা প্রদেশে এর অবস্থান। উইনিপেগ কানাডার ষষ্ঠ বৃহত্তম এবং বিশ্বের একাদশ বৃহত্তম মিঠাপানির হ্রদ।
এ হ্রদ মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ। মৎস্য বাণিজ্যে এর গুরুত্ব রয়েছে। ধারণা করা হয়, হেনরি কেলসি ছিলেন হ্রদ এলাকায় আসা প্রথম ইউরোপীয়। ১৬৯০ সালে তিনি হ্রদটি দেখেন। ১৭৩০ সালে ইউরোপীয়া হ্রদের কাছে দুর্গ প্রতিষ্ঠা করে। রেলপথ স্থাপনের আগে হ্রদটি কানাডায় ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের একটি কৌশলগত বাণিজ্যিক পথ ছিল।
উইনিপেগ হ্রদের পানির উৎস উইনিপেগ, স্যাক্যাচেওয়ান ও রেড নদী। আর নেলসন নদী হ্রদটির পানি নির্গমন পথ।
হ্রদটির আয়তন ২৪ হাজার ৫১৪ বর্গকিলোমিটার। হ্রদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৪১৬ কিলোমিটার এবং প্রশস্ততা সর্বোচ্চ ১০০ কিলোমিটার। এর গড় গভীরতা ১২ মিটার এবং সর্বোচ্চ গভীরতা ৩৬ মিটার। হ্রদের উপকূলের দৈর্ঘ্য এক হাজার ৮৫৮ কিলোমিটার। হ্রদটি ৯ লাখ ৮৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার আয়তন জায়গার বৃষ্টির পানি ধারণ করে।
হ্রদের ধারে জিমলি একটি বিখ্যাত জনপদ।



