ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে জুড়ে বাহারি ফুলের বাহার

Printed Edition

আহসান হাবীব শিবচর (মাদারীপুর)

বাহারি রঙের ফুলের সমারোহে রূপসী চেহারা নিয়েছে ঢাকা-ভাঙ্গা-খুলনা এক্সপ্রেসওয়ে। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম এই প্রবেশদ্বার নতুন এক মাত্রা যোগ করেছে। দ্রুত যোগাযোগের পাশাপাশি মহাসড়কটি এখন নজর কাড়ছে বাহারি ফুলের এক্সপ্রেসওয়ে হিসেবে। শ্রাবণের বর্ষণে মহাসড়কের বিভাজকজুড়ে (ডিভাইডার) ফুটে থাকা লাল, গোলাপি, সাদা, নীল, হলুদ ও বেগুনি ফুল পুরো পথকে যেন রাঙিয়ে তুলেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, ঢাকা থেকে সেতু পার হয়ে মাদারীপুরের শিবচরে ঢুকতেই রূপ বদলে যায় পথচলার। শিবচরের পাঁচ্চর, সন্ন্যাসীরচর, কুতুবপুরসহ বিভিন্ন অংশে ফোটা কাঞ্চন, করবী, গন্ধরাজ, রাধাচূড়া, সোনালু ও কৃষ্ণচূড়ার সৌরভ ও সৌন্দর্য মুগ্ধ করছে পথচারীদের। পাশাপাশি সড়কের দুই পাশে রোপণ করা কৃষ্ণচূড়া, মেহগনি, অর্জুন ও আমলকীর মতো নানা প্রজাতির গাছ সবুজের এক অপূর্ব আবহ তৈরি করেছে।

চলন্ত পথের এ শোভা দেখে অনেকে নিরাপদ স্থানে গাড়ি থামিয়ে ছবি বা ভিডিও ধারণ করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ছে এসব চিত্র। ভাঙ্গার নিয়মিত মোটরসাইকেল আরোহী ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো: মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাতায়াতের সময় এই মনোরম পরিবেশ নিমেষেই যাত্রাপথের ক্লান্তি দূর করে দেয়। স্থানীয় শিবচর প্রেস ক্লাবের সহসভাপতি আহসান হাবীব বলেন, এই নান্দনিক উদ্যোগ ভ্রমণপিপাসুদের নিয়মিত আকৃষ্ট করছে।

শিবচর হাইওয়ে থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে যাতে কেউ দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে না পড়েন, সে ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশ নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। মাদারীপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খ. ম. নকীবুল বারী জানান, সড়কের পরিবেশ রক্ষা ও যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্যই এই ফুল গাছ লাগানো হয়েছে। বিভাজকের এসব গাছ রাতে বিপরীত দিকের গাড়ির হেডলাইটের আলোর ঝলকানি থামিয়ে দুর্ঘটনা রোধেও ভূমিকা রাখছে।