এসিসিএ’র সাথে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

Printed Edition

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক সম্পন্ন করেন। তবে কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষতা অর্জন না করায় এদের অনেকেই বেকার থাকেন। বিপরীতে দক্ষ কর্মীর অভাবে স্বাভাবিক কাজকর্ম এগিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এমন অবস্থায় অ্যাসোসিয়েশন অব সার্টিফাইড চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস-এসিসিএ’র সাথে সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

মঙ্গলবার রাজধানীতে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসায় এ সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর করা হয়। বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাজ্যের ট্রেড এনভয় এবং যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডসের সদস্য ব্যারোনেস রোজি উইন্টারটন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকের উপস্থিতিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং এসিসিএ বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার প্রমা তাপসী খান এফসিসিএ ও সিনিয়র বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার শাহ ওয়ালিউল মানজুর সমঝোতাস্মারক স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি প্রফেসর মো: লুৎফর রহমান, ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক রাজ বিন কাশেম, সেকশন অফিসার নুসরাত ইসলাম, ব্রিটিশ হাইকমিশনের ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট টিমের পক্ষে ডিরেক্টর অব ট্রেড সাকিব এরশাদ এবং ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ হাবিবুর রহমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এই সমঝোতাস্মারকের লক্ষ্য হলো জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নিয়োগদাতাদের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা এবং করপোরেট সেক্টর, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ-এসএমই, অ্যাকাউন্টিং ফার্ম এবং বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিং-বিপিও খাতে ক্যারিয়ার গঠনে প্রস্তুত করা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই অংশীদারিত্বের ফলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শিক্ষার্থীরা এসিসিএ’র যোগ্যতার পথে প্রবেশাধিকারের সুযোগ পাবে, যা শুরু হবে সার্টিফাইড অ্যাকাউন্টিং টেকনিশিয়ান-ক্যাট প্রোগ্রামের মাধ্যমে। এই সুযোগ অ্যাকাডেমিক উন্নয়ন ও পেশাজীবীদের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এসিসিএ যোগ্যতা অর্জনের পথ তৈরি করবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিজ্ঞপ্তি।