কোরবানির বাজারে স্বস্তি, আছে শঙ্কাও

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরার প্রেক্ষাপটে এবার পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে কোরবানির পশুর বাজারে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। আগামী ২৮ মে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। খামারগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কয়েক বছর পর আবারো দেশে কোরবানির সংখ্যা কোটির ঘরে ফিরতে পারে। তবে এই আশার মাঝেও বাজারজুড়ে বড় ধরনের শঙ্কা রয়েছে। পশুখাদ্য, শ্রমিক, বিদ্যুৎ, পরিবহন, ওষুধ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এখন খামারিদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। খামারিদের আশঙ্কা- ন্যায্যমূল্য না পেলে আবারো বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে।

কাওসার আজম
Printed Edition
বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকার হাটগুলোতে আসছে কোরবানির পশু  : নয়া দিগন্ত
বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকার হাটগুলোতে আসছে কোরবানির পশু : নয়া দিগন্ত

  • উৎপাদনব্যয়ের চাপে দিশেহারা খামারি
  • বাড়তে পারে ছোট গরুর দাম
  • ঢাকায় ঘাটতি, উত্তরাঞ্চলে উদ্বৃত্ত

দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরার প্রেক্ষাপটে এবার পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে কোরবানির পশুর বাজারে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে। আগামী ২৮ মে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন পশুর হাটে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। খামারগুলোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কয়েক বছর পর আবারো দেশে কোরবানির সংখ্যা কোটির ঘরে ফিরতে পারে।

তবে এই আশার মাঝেও বাজারজুড়ে বড় ধরনের শঙ্কা রয়েছে। পশুখাদ্য, শ্রমিক, বিদ্যুৎ, পরিবহন, ওষুধ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ এখন খামারিদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। খামারিদের আশঙ্কা- ন্যায্যমূল্য না পেলে আবারো বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়তে হবে। অন্যদিকে সাধারণ ক্রেতারাও চিন্তায় আছেন, শেষ পর্যন্ত কোরবানির পশুর দাম কোথায় গিয়ে ঠেকে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি গরুর দাম এবার আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চাহিদার চেয়ে ২২ লাখ বেশি পশু

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশে কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে এক কোটি এক লাখ ছয় হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে প্রস্তুত রয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি পশু। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু বেশি রয়েছে।

প্রস্তুত পশুর মধ্যে গরু ও মহিষ রয়েছে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি। ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি। অন্যান্য প্রজাতির পশু রয়েছে পাঁচ হাজার ৬৫৫টি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সীমান্তবর্তী হাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে, যাতে বিদেশী গরু বাজারে প্রবেশ করতে না পারে। তিনি বলেন, ‘খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার কাজ করছে। উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে ঠিকই, তবে অযৌক্তিকভাবে দাম যেন না বাড়ে সেদিকেও নজর রাখা হবে।’

তবে সরকারি হিসাব নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, মাঠপর্যায়ে প্রকৃত বিক্রি, অবিক্রীত পশুর সংখ্যা এবং হাটভিত্তিক বাস্তব তথ্যের ঘাটতি থাকায় সরকারি পরিসংখ্যান সবসময় বাজার বাস্তবতার সাথে পুরোপুরি মেলে না।

অবিক্রীত পশুর ভয় তাড়া করছে খামারিদের

গত কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা এবারো খামারিদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, করোনার আগে দেশে বছরে এক কোটির বেশি পশু কোরবানি হতো। কিন্তু করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক ধাক্কা ও মূল্যস্ফীতির কারণে সেই সংখ্যা কমে যায়।

২০২১ সালে দেশে প্রায় এক কোটি ১৯ লাখ পশু প্রস্তুত করা হলেও কোরবানি হয়েছিল ৯০ লাখ ৯৩ হাজার ২৪২টি পশু। অর্থাৎ প্রায় ২৮ লাখ পশু অবিক্রীত থেকে যায়। গত বছরও প্রায় ৩৩ লাখ ১০ হাজার ৬০৩টি পশু বিক্রি হয়নি।

এই অভিজ্ঞতা থেকেই এবারো খামারিদের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে- চাহিদা প্রত্যাশার তুলনায় কম হলে আবারো লোকসানের মুখে পড়তে হবে।

তবে বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ক্যাটল ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি এবং মিল্ক ভিটার চেয়ারম্যান এস এম আমীর হামজা শাতিল আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এবার খামারিরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছি। সীমান্তে কঠোর নজরদারি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির উত্থানের সম্ভাবনা এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের কারণে ভারতীয় গরু ঢোকার সুযোগও কম থাকবে।’

তার মতে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসা, নতুন সরকারের অধীনে প্রথম কোরবানির ঈদ এবং মানুষের মানসিক স্বস্তির কারণে এবার কোরবানিদাতার সংখ্যা তিন থেকে চার শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

কেন কমছে পশুর সংখ্যা?

দুই বছরের ব্যবধানে দেশে কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যায় উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা গেছে। প্রাণিসম্পদ খাতের তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে কোরবানির জন্য প্রস্তুত পশুর সংখ্যা ছিল এক কোটি ২৯ লাখ ৮০ হাজার ৩৬৭টি। চলতি বছর সেই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টিতে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ছয় লাখ ৪৬ হাজার পশু কম প্রস্তুত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই পতন শুধু পরিসংখ্যানগত নয়; এর পেছনে রয়েছে খামারিদের বাড়তে থাকা অর্থনৈতিক চাপ। পশুখাদ্য, ওষুধ, শ্রমিক, বিদ্যুৎ ও পরিবহন ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় অনেক ছোট ও মাঝারি খামারি উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছেন। কেউ কেউ পুরোপুরি খামার ব্যবসা থেকেও সরে গেছেন।

খামারিদের মতে, গত কয়েক বছরে বিপুলসংখ্যক পশু অবিক্রীত থাকায় লোকসানের ভয়ও নতুন করে বিনিয়োগে অনীহা তৈরি করেছে। ফলে অনেকে এবার বড় পরিসরে গরু মোটাতাজাকরণে যাননি। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে অব্যাহত থাকলে দেশীয় পশু উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ও বাজার স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

ঢাকায় ঘাটতি, উত্তরাঞ্চলে উদ্বৃত্ত

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রধান ভোক্তা অঞ্চল ঢাকা ও চট্টগ্রামে এবার কোরবানির পশুর ঘাটতি রয়েছে। রাজধানী ঢাকায় সম্ভাব্য চাহিদা ধরা হয়েছে ২১ লাখ ৫৮ হাজার ৮৬৯টি পশু। কিন্তু স্থানীয়ভাবে প্রাপ্যতা রয়েছে ১৪ লাখ ৪৩ হাজার ৯৪২টি। অর্থাৎ ঢাকায় প্রায় সাড়ে সাত লাখ পশুর ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। চট্টগ্রামেও প্রায় ৫০ হাজার পশুর ঘাটতির তথ্য পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভাগগুলোতে বড় ধরনের উদ্বৃত্ত রয়েছে। রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগে চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। শুধু রাজশাহী বিভাগেই উদ্বৃত্ত রয়েছে প্রায় ১৯ লাখ পশু। ফলে এসব অঞ্চল থেকেই মূলত রাজধানী ও বড় শহরগুলোর বাজারে পশু সরবরাহ করা হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার বাজার অনেকাংশেই নির্ভর করবে উত্তরাঞ্চল থেকে আসা পশুর ওপর। তবে দীর্ঘ দূরত্বে পরিবহন ব্যয়, রাস্তার চাঁদাবাজি, হাটের খরচ ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কমিশনের কারণে শেষ পর্যন্ত রাজধানীর বাজারে পশুর দাম আরো বেড়ে যেতে পারে।

খাদ্যের দামেই বাড়ছে উৎপাদন ব্যয়

খামারিদের সবচেয়ে বড় অভিযোগ পশুখাদ্যের বাজার নিয়ে। তাদের দাবি, গত দুই বছরে দানাদার খাদ্যের দাম বস্তাপ্রতি ৪০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ভুসি, খইল, খুদ, খড় ও ঘাস, সবকিছুর দামই বেড়েছে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার খামারি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় গমের ভুসির বস্তা ৩০০ টাকা, মসুরের ভুসি ২০০ টাকা এবং ধানের গুঁড়া ৩০০ টাকা বেড়েছে।’

নওগাঁর খামারি রমজান আলী বলেন, ‘দানাদার খাবারের বাজারে কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। মাত্র তিন মাসে বস্তাপ্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়েছে।’

চুয়াডাঙ্গার খামারিরা জানান, তীব্র গরম ও লোডশেডিং এবার অতিরিক্ত চাপ তৈরি করেছে। গরুকে সুস্থ রাখতে সারাক্ষণ পাখা চালাতে হয়েছে, পানি ছিটাতে হয়েছে এবং অতিরিক্ত শ্রমিক রাখতে হয়েছে।

রাজধানীর বাজারে বাড়তে পারে দাম

খামারিদের মতে, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়, হাটের হাসিল এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের কমিশনের কারণেও রাজধানীর বাজারে কোরবানির পশুর দাম আরো বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকার বাজারে পশু আনতে উত্তরাঞ্চল থেকে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করতে হওয়ায় খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকার একটি অ্যাগ্রো ফার্মের মালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গোখাদ্য, শ্রমিক, বিদ্যুৎ ও ওষুধের ব্যয় অস্বাভাবিক বেড়েছে। ফলে সরবরাহ বেশি থাকলেও দাম কমার সুযোগ নেই।’

বাজার বিশ্লেষক ও খামারিদের মতে, এবার ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদাই বেশি থাকবে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কমে যাওয়া ক্রয়ক্ষমতার কারণে সাধারণ মানুষ বড় গরুর পরিবর্তে তুলনামূলক কম দামের পশুর দিকে ঝুঁকছেন।

পাবনার খামারি আলতাফ হোসেন জানান, ‘ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। তাই এবার বড় গরু কম রেখেছি।’ খামারিদের ধারণা, মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর বড় অংশ এবার যৌথ কোরবানি বা সীমিত বাজেটের পশু কেনার দিকেই ঝুঁকবে।

বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশে কোরবানি বেশি

বিশ্বের মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে কোরবানির পরিমাণ অনেক বেশি। পাকিস্তানে বছরে ৭০ থেকে ৮০ লাখ পশু কোরবানি হয়। ইন্দোনেশিয়ায় প্রায় ১৮ লাখ ৫৬ হাজার, তুরস্কে প্রায় ৩৮ লাখ এবং মিসরে প্রায় ১৩ লাখ পশু কোরবানি হয়। সেখানে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় এক কোটির আশপাশে পশু কোরবানি হয়।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বাংলাদেশের কোরবানিকেন্দ্রিক অর্থনীতির সবচেয়ে বড় শক্তি এর গ্রামীণ সংযোগ। দেশের প্রায় প্রতিটি গ্রাম কোনো না কোনোভাবে পশুপালনের সাথে যুক্ত। ফলে উৎপাদন থেকে বিক্রি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি স্থানীয় অর্থনীতিকে সচল রাখে।

হাট পরিচালনা, পরিবহন, পশুখাদ্য, চামড়া সংগ্রহ, কসাই শ্রমিক- সবখানেই মৌসুমি হলেও বিপুল কর্মসংস্থান তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মূলত একটি ‘সার্কুলার ইকোনমি’, যেখানে শহরের অর্থ গ্রামে যায় এবং গ্রামীণ আয় আবার নগরের বাজারে ফিরে আসে।

বড় হয়েছে কোরবানির বাজার, ন্যায্যমূল্যের আশা

গত এক দশকে দেশে কোরবানির বাজার ধারাবাহিকভাবে বড় হয়েছে। ২০১৫ সালে দেশে প্রায় ৮৫ থেকে ৮৮ লাখ পশু কোরবানি হয়েছিল। ২০১৭ সালে তা বেড়ে এক কোটির বেশি হয়। তবে করোনা মহামারীর ধাক্কায় ২০২০ সালে সংখ্যা নেমে আসে প্রায় ৯৪ লাখে।

এরপর বাজার ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ালেও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপ বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২০২৫ সালে কোরবানির সংখ্যা নেমে আসে প্রায় ৯১ লাখে। তবে এবার রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় বাজারে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অনেক খামারি লোকসানে পড়েছেন। এ কারণে পশু ও গোশতের দাম বাড়ছে। সরকারকে পশুখাদ্য ও ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।’

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, নীতিসহায়তা, প্রযুক্তির ব্যবহার, আধুনিক অবকাঠামো এবং ছোট খামারিদের সহজ ঋণসুবিধা নিশ্চিত করা গেলে কোরবানিকেন্দ্রিক এই অর্থনীতি আরো বড় পরিসরে বিকশিত হতে পারে।