মনিরুজ্জামান সুমন দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গা-২ (নির্বাচনী এলাকা-৮০) আসনে ক্রমেই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা এবং দর্শনা থানা এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রতিদিনই চলছে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, পথসভা ও কর্মীসমাবেশ। মাঠপর্যায়ে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। যদিও এই আসনে তিনজন প্রার্থী রয়েছেন, বাস্তবে ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত এই দুই দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে মোট ভোটার চার লাখ ১৫ হাজার ২৭ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা পুরুষের তুলনায় সামান্য বেশি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নারী ভোটার ও প্রথমবার ভোট দেয়া তরুণদের অংশগ্রহণই এবারের নির্বাচনের ফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
এই আসনে প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রুহুল আমিন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাসানুজ্জামান সজীব। মাঠে বিএনপি ও জামায়াতের প্রচারণাই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে। বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা, পথসভা ও কর্মীসমাবেশে এলাকা সরগরম থাকলেও ইসলামী আন্দোলনের প্রচারণা তুলনামূলকভাবে সীমিত। ফলে ভোটের লড়াই কার্যত দ্বিমুখী হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন ভোটাররা।
বিএনপি প্রার্থী মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, ‘এই আসন অতীতে একাধিকবার বিএনপির ছিল। জনগণ পরিবর্তন চায়। সুষ্ঠু ভোট হলে বিজয় নিশ্চিত। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতে উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়ে আমরা মাঠে আছি।’



