জ্ঞান কোনো নির্দিষ্ট জাতি বা সভ্যতার একচেটিয়া সম্পদ নয়, এটি মানব সম্প্রদায়ের অভিন্ন উত্তরাধিকার। ইসলামী সোনালী যুগে মুসলিম বিশ্বের শিক্ষালয়গুলো সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল, যা পরবর্তীকালে ইউরোপীয় রেনেসাঁকে ত্বরান্বিত করেছিল। আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম (আইআইইউসি) আয়োজিত আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিল্পপতি সালাহউদ্দিন কাসেম খান এ কথা বলেন।
গত রোববার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম হোটেল আগ্রাবাদ মিলনায়তনে আইআইইউসির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ এবং গবেষণা ও প্রকাশনা কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে ‘বিজনেস ইনোভেশন ফর ইনক্লুসিভ ডেভেলপমেন্ট’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী এই কনফারেন্সের সমাপনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮তম এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ২য় আন্তর্জাতিক কনফারেন্স।
সীয়াকো ফাউন্ডেশনের নির্বাহী চেয়ারম্যান ও এ কে খান ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি সেক্রেটারি সালাহউদ্দিন কাসেম খান আরো বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জলবায়ু ঝুঁকি ও প্রযুক্তির অপব্যবহারের এই সময়ে এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম কেবল অ্যাকাডেমিক চর্চার নয়, বরং সঙ্কট সমাধানের পথ দেখাবে। এটি ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে প্রথাগত সীমানার বাইরে গিয়ে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইআইইউসির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী আজাদী। তিনি বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন বর্তমান সময়ের জন্য কোনো সুযোগ নয়, বরং একটি নৈতিক বাধ্যবাধকতা। সততা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে পরিচালিত ব্যবসাই সমাজে স্থিতিশীলতা আনে, যা ইসলামের মূল দর্শনেও নিহিত। বিজ্ঞপ্তি।



