দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) সংবাদদাতা
পৈত্রিক জমাজমা-সংক্রান্ত বিষয়ে মারধরে দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সহসভাপতি আহত সম্রাট আকন্দ পাপ্পা (৩৮) ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে ৯ দিন ধরে চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। তিনি দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়নের ভেলুরচক গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় নিহতের মা জোসনা বেগম ২৮ জুন সম্রাটের চাচা আব্দুল করিমসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে দুপচাঁচিয়া থানায় একটি মামলা করেন। ওই মামলায় ১ জুলাই রাতে জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার তিলকপুর গ্রাম থেকে আব্দুল করিম ও তার স্ত্রী মিথিলা আক্তারকে পুলিশ আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুন দুপুরে চাচা আব্দুল করিমের সাথে জমি মাপা নিয়ে সম্রাটের বাগি¦তণ্ডা হয়। এরই এক পর্যায়ে আব্দুল করিম ১৫/২০ জনকে নিয়ে সম্রাট ও তার বাবা-মা এবং পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা করে। এতে সম্রাট ও তার বাবা রফিকুল ইসলাম এবং মা জোসনা বেগম গুরুতর আহত হন। তাদের প্রথমে দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে সম্রাট ও তার বাবা-মাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে সম্রাটের অবস্থার অবনতি হলে ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শনিবার রাতে তিনি মারা যান।
দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তাজমিলুর রহমান মারপিটে আহত সম্রাটের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।



