রাষ্ট্রপতির সাথে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Printed Edition
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে বঙ্গভবনে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর বিন আবিয়া  সাক্ষাৎ করেন : নয়া দিগন্ত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে বঙ্গভবনে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর বিন আবিয়া সাক্ষাৎ করেন : নয়া দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া। গতকাল সোমবার দুপুরে সৌদি রাষ্ট্রদূত বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎকালে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানের পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো: সরওয়ার আলম গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

সৌদি রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সঙ্কট পরিস্থিতিতে সৌদি আরবকে বাংলাদেশের পাশে থেকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশী হজযাত্রীদের সফর আরো সুগম এবং হাজিদের কষ্ট লাঘবের জন্য, বিশেষ করে মিনায় গোসলখানা ও শৌচাগার সুবিধা উন্নয়নের আহ্বান জানান। এ বিষয়ে সৌদি রাষ্ট্রদূত যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।

সৌদি আরবে ৩৫ লাখেরও বেশি বাংলাদেশী শ্রমিক কাজ করছেন উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি সৌদি আরবের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনশক্তি নেয়ারও আহ্বান জানান।

এ সময় রাষ্ট্রপতি সৌদি রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ও ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার উল্লেখ করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মির্জা ফখরুল সৌদি বাদশাহ ও ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্বের প্রশংসা করে মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে তাদের নেতৃত্বের জন্য শুভেচ্ছা জানান এবং সৌদি আরবের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

সৌদি রাষ্ট্রদূত এ সময় জ্বালানি, সহায়তা ও বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

উল্লেখ্য, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রথম কোনো বিদেশী কূটনীতিকের সাথে সাক্ষাৎ। এ সময় রাষ্ট্রপতির সচিব, সামরিক সচিব, প্রেস সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।