৯০-এর ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানের কেন্দ্রীয় নেতা, সাংবিধানিক অধিকার ফোরামের সভাপতি বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সুরঞ্জন ঘোষ বলেছেন, ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ব্রিক্স সম্মেলন আসন্ন। এ সম্মেলনে অংশ নেয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি সরকার। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এ সম্মেলনে অংশ নিবে কি নিবে না, এটা বাংলাদেশের কূটনৈতিক সুযোগ সুবিধার ব্যাপার। তা ছাড়া ব্রিক্স সম্মেলন হচ্ছে বিশ্ব রাজনীতির কৌশলগত প্রশ্ন। কিন্তু এ বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় পক্ষ যে দৃষ্টিকটু কাণ্ডকারখানা করছে, তা মোটেই গ্রহণযোগ্য না। ভারতের শাসকদের এখন বুঝতে হবে, বাংলাদেশে এখন আর দিল্লির তাঁবেদার সরকার নেই। ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ই গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদের চির পরিসমাপ্তি ঘটেছে। এখন বাংলাদেশ আর ভারতের ওপর নির্ভরশীল দেশ হিসেবে থাকবে না। মানবে না দিল্লির দাদাগিরি। সংবাদপত্রে দেয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
সুরঞ্জন ঘোষ আরো বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রতিবেশী দেশ হচ্ছে ভারত। আকাশ বাতাস পরিবেশ অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন এবং সর্বোপরি অভিন্ন। সামাজিক ও ঐতিহাসিক কারণে বাংলাদেশের মানুষ, ভারতের সাথে শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চায়। কিন্তু এ সম্পর্ক হতে হবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা-ভালোবাসা ও সম্প্রীতির আলোকে। বিজ্ঞপ্তি।



