‘অভিমানী মা’তে শিউলী শিলা

Printed Edition
‘অভিমানী মা’তে শিউলী শিলা
‘অভিমানী মা’তে শিউলী শিলা

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রজন্মের দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী শিউলী শিলা অভিনীত ‘অভিমানী মা’ নাটকটি গত ৪ নভেম্বর ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে। নাটকটিতে ‘অভিমানী মা’-এর ছেলের বউয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শিউলী শিলা। নাটকটিতে শিরীন আলম, আশরাফুল আশীষসহ আরো অনেকে অভিনয় করেছেন। নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন আহমেদ জসীম। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে শিউলী শিলা বলেন,‘এই নাটকে বলা যায় আমার চরিত্রটি একটু নেগেটিভ। নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করাটা একটু কঠিন। তার পরও চেষ্টা করেছি নিজের চরিত্রটি যথাযথভাবে ফুটিয়ে তুলতে। নাটকের গল্পটা আমাদের জীবনেরই গল্প। পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার মতো একটি নাটক। এরই মধ্যে নাটকটি ইউটিউবে প্রচারে আসার পর প্রায় এক লাখ ভিউয়ার্স উপভোগ করেছেন। আমার বিশ্বাস দিন যত যাবে নাটকের দর্শকপ্রিয়তা আরো বাড়বে। ধন্যবাদ জানাই পরিচালককে আমাকে এমন সুন্দর পারিবারিক গল্পের একটি নাটকে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য।’ আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘আলেয়া’ নাটক নিয়ে বিটিভিতে ‘আলেয়া’ কাকলী চরিত্রে অভিনয় করে বেশ প্রশংসিত হয়েছেন শিলা। প্রয়াত বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক বেলাল আহমেদের নির্দেশনায় সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘অনিশ্চিত যাত্রা’ সিনেমায় একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন শিউলী শিলা। তবে এরপর আরো সিনেমায় অভিনয় করলেও সরকারি অনুদানের সিনেমায় আর অভিনয়ের সুযোগ হয়ে ওঠেনি তার। কারণ সিনেমার চেয়ে নাটকেই তিনি বেশি কাজ করেছেন। পাশাপাশি মিউজিক ভিডিওতেও তিনি মডেল হিসেবে কাজ করে বেশ ভালো সাড়া পেয়েছেন। একজন শিল্পী হিসেবে শিউলী শিলা নাটকে ও সিনেমায় অভিনয় করে বেশ দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন। তবে কিছু কিছু আক্ষেপ তো শিল্পীর থাকেই। কারণ অনেক স্বপ্ন অনেক সময় শিল্পীর পূরণও হয় না। শিলার ক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছে। ভালো গল্পের সিনেমাতে শিলার কাজ করার সুযোগ হয়েছে খুব কম। আর সরকারি অনুদানের সিনেমাতে সেই সুযোগ এসেছে মাত্র একবার। বাংলাদেশের সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের সাথেও একটি সিনেমাতে অভিনয় করার সুযোগ হয়েছিল প্রয়াত এমবি মানিক পরিচালিত ‘প্রেম কয়েদী’ সিনেমায়। যদিও সিনেমাটিতে তিনি ছোট্ট একটি চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তার পরও শিলা কাজ করে সন্তুষ্ট ছিলেন। শিলার ভাষ্য এমন যে এমবি মানিক বেঁচে থাকলে হয়তো আরো সিনেমায় কাজ করার সুযোগ হতো। ঠিক তেমনি সুযোগ হতো ‘নয়নের আলো’খ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক বেলাল আহমেদ বেঁচে থাকলেও।