ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িকে বিভক্ত করে নবসৃষ্ট ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলার সদর দফতর ভৌগোলিক সুবিধাজনক স্থানে স্থাপনের দাবিতে ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা বাস্তবায়ন পরিষদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল দ্বিতীয় দিনের মতো পালিত হচ্ছে। হরতালে ঢাকা-খাগড়াছড়ি মহাসড়কসহ আঞ্চলিক সড়কগুলোতে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গত রোববার সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এ হরতাল চলবে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত। সরেজমিন দেখা যায়, নারায়ণহাট, দাঁতমারা, হেয়াঁকো ও বাগানবাজারসহ অধিকাংশ এলাকার দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। তবে ফার্মেসি, ক্লিনিক ও নিত্যপণ্যের দোকান হরতালের আওতামুক্ত রয়েছে।
হরতাল সমর্থকরা আঞ্চলিক মহাসড়কের অন্তত ৩০-৩৫টি স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং করেন। এতে দীর্ঘ সড়কে বাস, ট্রাক ও অটোরিকশাসহ বহু যানবাহন আটকে পড়ে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, প্রস্তাবিত উপজেলার প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে স্বার্থান্বেষী মহলের প্রভাবে সদর দফতর ভুজপুর মৌজায় নির্ধারণ করা হয়েছে। ভৌগোলিক সুবিধাজনক স্থানে সদর দফতর না করা হলে আরো কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তারা।
যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ফটিকছড়ি ইউএনও সাঈদ মুহাম্মদ ইব্রাহিম ও হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী তারেক আজিজ জানান, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত পরিবেশ শান্তিপূর্ণ আছে।



