সময়টা ভালো যাচ্ছে আলপির

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মেয়ে আলপি আক্তার। এবারের লিগে তিনি হয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। করেছেন পাঁচটি হ্যাটট্রিক। তার মোট গোল ২৯টি। সদ্য সমাপ্ত লিগে আলপি যে এই পুরস্কার পাবেন তা কারোরই ধারণায় ছিল না। কারণ ফরাশগঞ্জের তহুরা খাতুন, ছোট শামসুন্নাহার, পুলিশের সাগরিকা এবং বাংলাদেশ আর্মির সুলতানা ছিলেন এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। ছিলেন তনিমা বিশ^াসও। রাজশাহী স্টারসে নিজ দলেই শক্ত প্রতিপক্ষ ছিলেন তৃষ্ণা রানী ও সৌরভী আকন্দ প্রীতি। অথচ সবাইকে পেছনে ফেলে ঠিকই সর্বোচ্চ গোলদাতার খেতাব জিতে নেন এই আলপি। যার ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল গোলরক্ষক হিসেবে। কিন্তু উচ্চতায় ছোট হওয়ায় এবং ফর্ম ভালো না হওয়ায় তিনি পরে হয়ে যান স্ট্রাইকার। এবার তিনি টানা দুই আসরে সর্বোচ্চ গোলদাতা। অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফে সাত গোল দিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার পর পরশু আর্মির বিপক্ষে একটি গোল করে নিজের নামের পাশে জমা করেন ২৯তম গোল।

গোল আর হ্যাটট্রিক এক সাথেই করেছেন তিনি। সাফে দুই হ্যাটট্রিক করেছিলেন নেপাল ও ভুটানের বিপক্ষে। তার অপর গোল ছিল ভারতের বিপক্ষে। তবে ফাইনালে একেবারেই ফ্লপ ছিলেন তিনি। তার সাথে পুরো দলই ফলে চার গোলে হার। যদিও ভারতের বিপক্ষে আগে তার তিনটি গোল ছিল কয়েক আসর মিলে।

সাফের পারফরম্যান্স এবং লিগে গোল বন্যা। তাই তাকে সিনিয়র জাতীয় দলে ২৬ জনের তালিকায় স্থান দিয়েছেন কোচ পিটার জেমস বাটলার। এখন আলপির লক্ষ্য জাতীয় দলে স্থায়ী হওয়া এবং সেখানেও গোল করা। জানান, সাফ ও ক্লাব ফুটবল দুই স্থানেই সতীর্থদের সহযোগিতায় তার এই অর্জন। সেই জাতীয় জাতীয় দলে ভালো করতে চাই। তবে সাফের ফাইনালে হার নিয়ে কোনো কথাই বললেন না তিনি।