ডয়চে ভেলের সাথে সাক্ষাৎকারে সজীব জয়

নির্বাচন ও সরকার কোনোটি মানে না আ’লীগ, হাসিনা ফিরবেন না

Printed Edition
নির্বাচন ও সরকার কোনোটি মানে 
না আ’লীগ, হাসিনা ফিরবেন না
নির্বাচন ও সরকার কোনোটি মানে না আ’লীগ, হাসিনা ফিরবেন না

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

ডয়চে ভেলের সাথে এক সাক্ষাৎকারে পালিয়ে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, সদ্য শেষ হওয়া নির্বাচন সম্পূর্ণ সাজানো, এটি অবশ্যই আমরা মানছি না। কিভাবে মানব? একটা নির্বাচন- যেখানে অর্ধেক দলকে বাদ দেয়া হয় গায়ের জোরে, সেটা কিভাবে নির্বাচন হয়?

তাহলে কি, সেই সরকারকেও আপনারা মানবেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে সজীব জয় বলেন- না, যেই নতুন সরকার গঠন হবে সেটা তো কোনো বৈধ সরকার হবে না।

এই সাক্ষাৎকারে দেয়া সজীবের বক্তব্য অনুসারে নির্বাচন ও সম্ভাব্য সরকারকে তারা বৈধ মনে করেন না। এছাড়া ব্যক্তিগতভাবে সরাসরি রাজনীতিতে নামার সিদ্ধান্ত তিনি নেননি। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ, তবে দমন-পীড়নের মুখে নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ ছাড়া নেতৃত্বের ফেরা কঠিন। ক্ষমার প্রশ্নে ‘সমান বিচার’ ও দায়বদ্ধতার দাবিও তার। অতীত সঙ্কটের চেয়ে বর্তমান দমন-পীড়নকে বড় বাস্তবতা হিসেবে দেখছেন তিনি। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা আর রাজনীতিতে ফিরবেন না।

ডয়চে ভেলের সাংবাদিক সমন্তক ঘোষ এই ভিডিও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। তাদের কথোপকথন নিচে দেয়া হলো :

সমন্তক ঘোষ : একদম সরাসরি প্রশ্নে ঢুকে যাই। আমার যেটা প্রথম প্রশ্ন, সেটা হচ্ছে যে নির্বাচন শেষ হয়ে গেছে এবং নির্বাচন কমিশন বলেছে যে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের ট্রেনের উঠে পড়েছে এবং অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হয়েছে, উৎসবের মেজাজে নির্বাচন হয়েছে। কী বলবেন আপনি?

সজীব ওয়াজেদ জয় : হ্যাঁ, এটা তো একটা সম্পূর্ণ সাজানো নির্বাচন হলো। এটি সুষ্ঠু আর উৎসবের নির্বাচন কিভাবে হয়? রাত থেকেই ভোটকেন্দ্র দখল, রাত থেকেই গোপন ভোট শুরু। দুই প্রার্থীর মধ্যে সহিংসতা, হামলা, ভোটকেন্দ্রের ওপর হামলা- এই তথ্য তো সারারাত ধরে বেরোচ্ছে, সারা দিন ধরে বেরোচ্ছে। আর মানুষ কতটা অংশগ্রহণ করতে গেছে? সকালবেলা সামান্য একটু উপস্থিতি ছিল। ভোটকেন্দ্রে দেখা যায় মাঝে মধ্যে কিছু লোক আছে, তা ছাড়া লোকজন নাই। তারপর অনেকেই যারা ভোট দিতে যাচ্ছে, গিয়ে দেখছে যে তাদের ভোট অলরেডি দেয়া হয়ে গেছে। সো, এটা তো কোনো নির্বাচনই হয়নি।

সমন্তক ঘোষ : আপনারা নির্বাচন নিয়ে যে অভিযোগ তুলছেন, সেটার প্রেক্ষাপটে একটা বিষয় জানতে চাই। আপনার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিবৃতিতে বলা হয়েছে- যারা ভোট দেননি, তাদের স্বাগত। আমার সহকর্মীরা মাঠ থেকে জানাচ্ছেন মানুষ ভোটকেন্দ্রে এসেছে, ভোট দিয়েছে। কিন্তু অতীতেও তো বাংলাদেশে কম ভোট পড়ার নজির আছে। ২০১৮ সালের নির্বাচনকে ‘রাতের নির্বাচন’ বলা হয়েছিল, ২০২৪ সালেও অভিযোগ উঠেছিল, আবার কখনো ৪০-৫০ শতাংশ ভোট পড়েও সরকার গঠিত হয়েছে। তাহলে এই নির্বাচনের বিরুদ্ধে আপনারা যে অভিযোগ করছেন, সেটাকে কতটা বৈধ মনে করেন?

সজীব ওয়াজেদ জয় : আপনি যে উদাহরণ দিচ্ছেন-বিশেষ করে ২০১৪ সালের নির্বাচন- সেটা ছিল বিএনপির স্বেচ্ছা বয়কট। তখন কেউ তাদের জোর করে নির্বাচনের বাইরে রাখেনি। তারা নিজেরাই অংশ নেয়নি। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। এখানে কোনো দল স্বেচ্ছায় বয়কট করেনি। বরং জোর করে, প্রশাসনিকভাবে এবং রাজনৈতিকভাবে অনেক দলকে নির্বাচনের বাইরে রাখা হয়েছে। শুধু আওয়ামী লীগ নয়, অন্যান্য প্রগতিশীল দলগুলোকেও কার্যত নিষ্ক্রীয় করে দেয়া হয়েছে। অনেক নেতাকর্মী কারাগারে, অফিস পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, প্রচারণা চালাতে দেয়া হয়নি। তাহলে এই নির্বাচনকে কিভাবে গণতান্ত্রিক বলা যায়?

সমন্তক ঘোষ : তবু অতীতে আমরা দেখেছি- ৪০ বা ৫০ শতাংশ ভোট পড়লেও নির্বাচন বৈধ হিসেবে গণ্য হয়েছে এবং সরকার গঠিত হয়েছে। আপনারা বলছেন ভোট যথেষ্ট হয়নি, নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। যদি আপনারা এই ফলাফল না মানেন, তাহলে আপনাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

সজীব ওয়াজেদ জয় : আবারো বলছি- আগের নির্বাচনগুলোয় বিএনপি নিজেই অংশ নেয়নি। এখানে কিন্তু দলগুলোকে বাধা দেয়া হয়েছে। এই নির্বাচন শুরু থেকেই সাজানো। প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর প্রচারণা বন্ধ, নেতাকর্মী গ্রেফতার, প্রশাসনিক চাপ- এসবের মধ্যে কোনো প্রতিযোগিতা থাকে না। ভোটার উপস্থিতিও ৫০ শতাংশের নিচে। এর সাথে নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ আছে। বাস্তবে দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ ভোট দেয়নি। এটা জনগণের প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন হতে পারে না।

সমন্তক ঘোষ : তাহলে কি আপনারা এই নির্বাচন মেনে নিচ্ছেন না?

সজীব ওয়াজেদ জয় : না, অবশ্যই না। অর্ধেক রাজনৈতিক শক্তিকে বাদ দিয়ে কোনো নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এটাকে গণতান্ত্রিক নির্বাচন বলা যায় না।

সমন্তক ঘোষ : তাহলে যে নতুন সরকার গঠিত হবে, সেই সরকারকেও কি আপনারা বৈধ মনে করবেন না?

সজীব ওয়াজেদ জয় : না। এমন নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সরকার বৈধ হতে পারে না। জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো সরকার গণতান্ত্রিক বৈধতা পায় না।

সমন্তক ঘোষ : আপনারা যদি এই নির্বাচন না মানেন, তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে?

সজীব ওয়াজেদ জয় : আমাদের পদক্ষেপ দেশের মানুষই দেখবে। যে-ই ক্ষমতায় আসুক, মানুষ বাস্তবতা বুঝবে। গত দেড় বছরে আমরা দেখেছি- আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে, অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে। পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।

সমন্তক ঘোষ : বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন- শেখ হাসিনার পরিবার থেকে কেউ রাজনীতিতে এলে স্বাগত জানাবেন। আপনি কি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে নামার কথা ভাবছেন? এ বিষয়ে আপনার মায়ের সাথে কোনো আলোচনা হয়েছে?

সজীব ওয়াজেদ জয় : এ বিষয়ে আমার কোনো সিদ্ধান্ত নেই। আমি কখনোই সরাসরি রাজনীতি করতে চাইনি। ভবিষ্যতে কী হবে বলা কঠিন। কে রাজনীতিতে আসবে, সেটা দলীয় কর্মী ও সমর্থকরাই ঠিক করবে। আমি দীর্ঘদিন বিদেশে আছি- প্রায় ৩০ বছর ধরে আমেরিকায়। ব্যক্তিগতভাবে শান্ত জীবনেই আছি। তবে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন।

সমন্তক ঘোষ : জুলাই অভ্যুত্থানের পর থেকে আপনি নিয়মিত রাজনৈতিক মন্তব্য করছেন- দলের ভবিষ্যৎ, আপনার মায়ের ভূমিকা ইত্যাদি নিয়ে। এতে দলের ভেতরে বিভাজন তৈরি হয়েছে- এমন কথাও শোনা যায়। আওয়ামী লীগের মধ্যে কি ভাঙন দেখা দিচ্ছে?

সজীব ওয়াজেদ জয় : না, ভাঙনের প্রশ্নই ওঠে না। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ। বরং দল এখন নির্যাতনের শিকার। হাজার হাজার নেতাকর্মী গ্রেফতার- গত কয়েক সপ্তাহেই প্রায় ২০ হাজারের বেশি। অনেকে জেলে, অনেকে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। আমার নিজের পারিবারিক বাড়িও পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভাঙনের কথা বলার সুযোগ নেই।

সমন্তক ঘোষ : নতুন সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ কি দেশে ফিরে রাজনীতি করতে পারবে? ফিরলে কি নতুন নেতৃত্ব বা নতুন প্রজন্ম সামনে আসবে?

সজীব ওয়াজেদ জয় : আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার দল, দেশের সবচেয়ে পুরনো দল। আওয়ামী লীগ মুছে যাবে না। ফেরার প্রশ্ন নয়- দল দেশে আছেই। এই নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি মানুষ ভোট দেয়নি, তাদের বড় অংশই আমাদের সমর্থক। নেতৃত্বে কে আসবে, সেটা ভবিষ্যৎ বলবে। তবে দলের ঐতিহাসিক রেকর্ড কেউ অস্বীকার করতে পারবে না।

সমন্তক ঘোষ : তৃণমূল কর্মীরা মাঠে আছেন, হামলা-মামলার মধ্যেও দলের পাশে আছেন। কিন্তু শীর্ষ নেতৃত্বের অনেকেই দেশে নেই। এতে কি সংগঠন দুর্বল হচ্ছে না? নেতাদের কি কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত নয়?

সজীব ওয়াজেদ জয় : সমস্যা হলো নেতারা দেশে ফিরলেই গ্রেফতার বা হামলার শিকার হবেন। গত দেড় বছরে আমাদের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। প্রায় ৩৫ জন কারাগারেই মারা গেছেন। এমন পরিস্থিতিতে নিরাপদ রাজনৈতিক পরিবেশ নেই। তাহলে তারা ফিরবে কিভাবে?

সমন্তক ঘোষ : বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলো বলছে তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র চায়। অনেকেই বলছেন- আওয়ামী লীগ যদি অতীত ঘটনার জন্য ক্ষমা চায়, তাহলে রাজনীতিতে ফেরার পথ সহজ হবে। আপনারা কি ক্ষমা চাইতে প্রস্তুত?

সজীব ওয়াজেদ জয় : প্রশ্ন হলো- ক্ষমা চাইলেই কি সুযোগ দেয়া হবে? নির্বাচন তো হয়ে গেছে। আমার মা নিহতদের পরিবারের সাথে দেখা করেছেন, বিচার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমরা একটি বিচার বিভাগীয় কমিটিও গঠন করেছিলাম, সেটি বাতিল করে দেয়া হয়েছে।

অন্য দিকে আমাদের শত শত কর্মী নিহত হয়েছে। যারা এসব করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে বরং ইনডেমনিটি দেয়া হয়েছে। এক দিকে হত্যাকাণ্ডের দায়মুক্তি, অন্য দিকে শুধু আমাদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি- এটি দ্বৈত মানদণ্ড। বিচার হলে সবার জন্য সমান বিচার হতে হবে।

সমন্তক ঘোষ : জুলাই-আগস্টে যেসব ঘটনা ঘটেছিল, তখন আপনার মা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আপনার কি মনে হয় না- সেই পরিস্থিতি আরো মানবিকভাবে বা ভিন্নভাবে হ্যান্ডেল করা যেত?

সজীব ওয়াজেদ জয় : আমাদের ওপর যেভাবে নির্যাতন হয়েছে, সেখানে কারো কথা বলারই সুযোগ ছিল না। এখন দেড় বছর হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এতটাই বদলে গেছে যে পেছনের বিষয় নিয়ে আর আলোচনা করার বাস্তব ক্ষেত্র নেই। আওয়ামী লীগের ওপর যে মাত্রার দমন-পীড়ন হয়েছে; গ্রেফতার, হামলা, হত্যা- এসব যদি স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়, তাহলে আমাদের আর বলার কী থাকে? সেই অবস্থায় শুধু আমাদের কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলা যৌক্তিক নয়।

সমন্তক ঘোষ : বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা- অন্তর্বর্তী সরকার, তার পর নির্বাচন, এখন নতুন সরকার- এই প্রেক্ষাপটে আপনি আগে বলেছিলেন আপনার মা শেখ হাসিনা আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন না। আপনি কি এখনো সেই অবস্থানে আছেন?

সজীব ওয়াজেদ জয় : তিনি অনেক আগেই অবসর নিতে চেয়েছিলেন। এত বছর রাজনীতি করার ইচ্ছা তার ছিল না। তিনি কী করবেন, সেটি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমার মনে হয় তিনি হয়তো আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন না। তবে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা কঠিন। ২০১৮ সালের আগেও তিনি অবসর নেয়ার কথা বলেছেন।

সমন্তক ঘোষ : এটি কি পারিবারিক চাপ? আপনারা কি চান না তিনি রাজনীতিতে থাকুন?

সজীব ওয়াজেদ জয় : না, কোনো চাপ নেই। তিনি সম্পূর্ণ স্বাধীন ব্যক্তি। নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেবেন।

সমন্তক ঘোষ : বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন একটা নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে বলা হচ্ছে। দীর্ঘদিন শেখ হাসিনা ও খালেদা জিয়ার রাজনীতিকে ঘিরে দেশ চলেছে। এখন নতুন প্রজন্ম সামনে আসছে। আপনি বা আপনার বোন- আপনারা কি ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আসার কথা ভাবছেন?

সজীব ওয়াজেদ জয় : এমন কোনো পরিকল্পনা নেই। ব্যক্তিগতভাবে রাজনীতিতে সরাসরি আসার ইচ্ছা আমার নেই। তবে একটি বিষয় মানুষ বুঝেছে- আওয়ামী লীগের ১৬-১৭ বছরে যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি, অবকাঠামো উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান ছিল- বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন স্থিতিশীল সময় খুব কম এসেছে। গত দেড় বছরে মানুষ তার পার্থক্যও টের পেয়েছে। ভবিষ্যতে যে সরকারই আসুক, আওয়ামী লীগের রেকর্ড সহজে কেউ ছাড়িয়ে যেতে পারবে না।

সমন্তক ঘোষ : আমাদের সাথে কথা বলার জন্য ধন্যবাদ।

সজীব ওয়াজেদ জয় : আপনাদেরও ধন্যবাদ।