নিজস্ব প্রতিবেদক
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে খাবারের প্যাকেটে সহজবোধ্য ও স্পষ্ট ভাষায় পুষ্টি-সংক্রান্ত তথ্য রাখা জরুরি। যাতে করে ভোক্তারা জানতে পারবেন ওই খাবারটি তার শরীরের জন্য নিরাপদ কি না। গতকাল রাজধানীর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরের উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এফওপিএল গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালায় আলোচকরা এ কথা বলেন।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো: আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মোহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, বারডেম জেনারেল হাসপাতালের চিফ নিউট্রিশনিস্ট শামসুন নাহার মহুয়া, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হাসান সোহেল প্রমুখ।
তারা বলেন, একটি চিপসের প্যাকেটে যে পরিমাণ লবণ থাকে তা একটি শিশুর দুই দিনের খাবার। অথচ সেই ক্ষতিকর খাবারটি মুহূর্তে শেষ করে দিচ্ছে। এসব খাবারের পুষ্টিগুণ ও ক্ষতিকর দিক যদি স্পষ্টভাবে প্যাকেটের গায়ে দেয়া থাকলে পরিবার শিশুদের এগুলো দেয়া থেকে বিরত থাকতেন।
আলোচকরা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে ফ্রন্ট অব প্যাকেজ লেবেলিং বাস্তবায়নে গণমাধ্যমকে আরো অনুসন্ধানী, তথ্যভিত্তিক ও ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান।



