আইপিএলে নাম দেয়ার আগে ভাববেন তানজিম

ক্রীড়া প্রতিবেদক
Printed Edition
তানজিম হাসান সাকিব
তানজিম হাসান সাকিব

আইপিএল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে মোস্তাফিজুর রহমানকে। যার কারণে ভারতে অনুষ্ঠেয় টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে সেখানে যাবে না বাংলাদেশ। আইসিসির কাছে বিকল্প ভেন্যু চেয়েছে বিসিবি। এমনকি আইপিএল সম্প্রচারও বাংলাদেশে বন্ধ থাকছে। এসব ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। তানজিম হাসান সাকিব জানিয়েই দিয়েছেন, পরেরবার থেকে আইপিএলে নাম দেয়ার আগে বেশ কয়েকবার ভাববেন তারা।

গণমাধ্যমকে তানজিম বলেন, ‘আইপিএল থেকে ওনাকে কেন সরানো হলো বা কেন এমন হলো এটা আসলে জানি না। রাজনৈতিক ইস্যু থাকতে পারে, তবে ক্রিকেটে রাজনীতি না আসাই ভালো। আমরা প্লেয়ার হিসেবে আইপিএল খেলার ইচ্ছা রাখি এবং সেই হিসেবেই নাম দিই। পরের বছর কি হবে সেটা এজেন্ট এবং দেশের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবো।’

কোনো টাকাই কি পাবেন না মোস্তাফিজ

ইনজুরি বা পারফরম্যান্সজনিত কোনো কারণ না থাকলেও কলকাতা নাইট রাইডার্স থেকে চুক্তি বাতিলের বিপরীতে কোনো আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন না বাংলাদেশী পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। এই সিদ্ধান্তের পর প্রশ্ন উঠেছে, পেশাদার লিগে চুক্তিবদ্ধ হয়েও কেন সে টাকা পাচ্ছেন না। এর পেছনে রয়েছে আইপিএলের বিদ্যমান বীমা নীতিমালা, যেখানে এই ধরনের পরিস্থিতিতে ক্ষতিপূরণের সুযোগ নেই বললেই চলে।

আইপিএল সংশ্লিষ্ট এক সূত্র পিটিআইকে বলেন, ‘আইপিএলের সব খেলোয়াড়ের চুক্তিই বীমাকৃত থাকে। তবে বিদেশী খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রে সাধারণত ক্যাম্পে যোগ দেয়ার পর বা টুর্নামেন্ট চলাকালে চোট পেলে বীমা থেকে বেতনের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া যায়।’

মোস্তাফিজের ক্ষেত্রে সেই নিয়ম কার্যকর হয়নি। কারণ তার চুক্তি বাতিল হয়েছে টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই এবং সেটিও রাজনৈতিক কারণে। এটি কোনো ইনজুরি বা ক্রিকেটীয় পারফরম্যান্স সংক্রান্ত বিষয় নয়। তাই এই পরিস্থিতি বীমার আওতায় পড়ে না। এ কারণে কেকেআর বা বীমা কোম্পানি, কোনো পক্ষেরই অর্থ পরিশোধের আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

আইনি লড়াইয়ের পথ খোলা থাকলেও সেটি সহজ নয়। ভারতীয় গণমাধ্যমের দাবি, ‘মোস্তাফিজ চাইলে আইনি পথে যেতে পারেন, কিন্তু আইপিএল ভারতীয় আইনের অধীন। তা ছাড়া ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিদেশী ক্রিকেটাররা সাধারণত কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টসে যাওয়ার ঝুঁকি নেন না।’