যৌন হয়রানির অভিযোগ

ঢাবি শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন

Printed Edition

শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে গ্রেফতারকৃত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো: এরশাদ হালিমের বিচার প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। তাকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সহযোগিতা করেছে।

অভিযুক্ত শিক্ষককে তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা হয়েছে। অভিযোগ তদন্তের জন্য ইতোমধ্যেই বিভাগীয় পর্যায়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই করেন সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

এ ছাড়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণ অধিকার পরিষদ নেতা ভিপি নুরুল হক নুর ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। জামায়াতে ইসলামী টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমির আহসান হাবিব মাসুদের নেতৃত্বে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, আজ খুব ভালো লাগছে। মজলুম জননেতার কবর জিয়ারত ও শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পেরেছি। ইতঃপূর্বে এই ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে এসেও আমি রক্তাক্ত হয়েছি। ’২৪- এর গণ-অভ্যুত্থানে আমাদের ১২ জন কর্মী শহীদ হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুই সহস্রাধিক কর্মী।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশে যারা খুন করেছে, তাদের প্রত্যেকের বিচার হতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে ফ্যাসিবাদী কায়দায় নির্বিচারে মানুষ খুন করা হয়েছে, আদালতে তার বিচার চলছে। আমরা মনে করি আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করেই এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। শেখ হাসিনাসহ তিনজনের ফাঁসির রায় হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।

মওলানা ভাসানীর মাজারে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে টাঙ্গাইল শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা শাখা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি সাইফুর রহমান রেজা। সভায় বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, বহ্নিশিখা জামালী ও বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ অন্য নেতারা বক্তব্য রাখেন।

মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে টাঙ্গাইলের সন্তোষে সাত দিনব্যাপী ‘ভাসানী মেলা’ চলছে। গত ১১ নভেম্বর এ মেলার উদ্বোধন করেন ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো: আনোয়ারুল আজীম আখন্দ। এ ছাড়া প্রতি বছরের মতো এবারো মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন ও খোদা-ই-খেদমতগার দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ, ওরশ, স্মরণ সভা ও গণভোজসহ সাত দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

উল্লেখ্য, মওলানা ভাসানী ১৯৭৬ সালের এই দিনে ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। পরে তাকে টাঙ্গাইলের সন্তোষে দাফন করা হয়। মওলানা ভাসানী ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও তিনি জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। তিনি কৈশোর-যৌবন থেকেই রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।