পটিয়া-চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা
পবিত্র ঈদুল ফিতরের লম্বা সাত দিনের ছুটিতে অতিথি বরণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম উপকূল ঘিরে গড়ে ওঠা পর্যটন স্পটগুলো। আকাশে ভেসে বেড়ানো মেঘের ভেলা, সাগরের গর্জন আছড়ে পড়া ঢেউ, সারি সারি ঝাউবন, রাতের আঁধারে জোসনার লুকোচুরি, জেলেদের মৃদু কোলাহল মুখর প্রকৃতির নিপুন হাতে গড়া
বঙ্গপোসাগরের বিস্তৃর্ণ বালুচর নিয়ে দক্ষিণ চট্টগ্রামে বঙ্গপোসাগর উপকূলীয় পর্যটন কেন্দ্রগুলো অতিথি বরণে প্রস্তুত রয়েছে । বিশেষ করে বঙ্গোপসাগর উপকূলের বাঁশখালী খানখানাবাদ থেকে বাহারছড়া পর্যন্ত অঘোষিত সমুদ্র সৈকত পর্যটন কেন্দ্র, বাঁশখালী ইকোপার্ক ও আনোয়ারা পারকি সমুদ্র সৈকত সরকারি ছুটিতে অতিথি বরণে প্রস্তুত রয়েছে।
যে কারণে চট্টগ্রামের সাগর উপকূল ভ্রমণপিপাসুদের কাছে আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বর্তমানে উপকূলজুড়ে ভাঙ্গন ঠেকাতে গড়ে তোলা হচ্ছে টেকসই বেড়িবাঁধ। আর এই বিস্তৃর্ণ বেড়িবাঁধ কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও আনোয়ারা বঙ্গোপসাগরের বিস্তীর্ণ উপকূল ভ্রমণ পিপাসুদের নজর কাড়ছে।
সাগর নদী সবুজ ঘন পাহাড়বেষ্টিত বন্দর নগরী চট্টগ্রামের ভেতর দিয়ে বয়ে চলা কর্ণফূলী নদীর পূর্ব প্রান্তে বঙ্গপোসাগরের উপকূলে আনোয়ারায় গড়ে ওঠা পার্কি সমুদ্র সৈকত, বাঁশখালী ইকোপার্ক, ও সমুদ্র সৈকত।
বাঁশখালী সনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা রেজাউল হক চৌধুরী বলে উপকূলে বেড়িবাঁধের সাথে এখন পরিকল্পনা করে পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা যায় বিস্তৃর্ণ উপকূল নিয়ে। তিনি বলেন, বেড়িবাঁধের সাথে সারিবদ্ধভাবে বনায়ন করা হলে সেই বনায়ন বেড়িবাঁধকে যেমন আরো টেকসই করবে তেমনি এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশকে আরো মোহনীয় করে তুলবে । তিনি বলেন, বিস্তৃর্ণ বেড়িবাঁধের সাথে সবুজের হাতছানিকে কাজে লাগিয়ে বিশাল আয়তনের পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা যায়।
এদিকে আনোয়ারা রায়পুরের সাবেক চেয়ারম্যান ও সমাজ সেবক আবু সৈয়দ ও বারশত ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান বলেন, সাগর কূলে বেড়িবাঁধের সাথে বনায়ন করে অনায়সে পার্কি সমুদ্র সৈকতের মনোরম ঝাউবনের সাথে যুক্ত করা গেলে পুরো উপকূলই আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।



