নাসুমের ৫ উইকেটে নোয়াখালীর লজ্জা

ক্রীড়া প্রতিবেদক
Printed Edition
৫ম উইকেট নেয়ার পর নাসুম আহমেদের অভিব্যক্তি : বিসিবি
৫ম উইকেট নেয়ার পর নাসুম আহমেদের অভিব্যক্তি : বিসিবি

সিলেট টাইটান্সের স্পিনার নাসুম আহমেদের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬১ রানেই গুটিয়ে যায় নোয়াখালী। যা বিপিএল ইতিহাসে চতুর্থ সর্বনিম্ন দলীয় স্কোর। ২০১৬ সালে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ৪৪ রানে অলআউট হয়েছিল খুলনা টাইটান্স। এখনো পর্যন্ত সেটিই বিপিএলের সর্বনিম্ন স্কোর। ২০১৫ সালে বরিশাল বুলস ৫৮ রান করে সিলেট সুপারস্টার্সের বিপক্ষে। ৫৯ রান করে সিলেট সুপারস্টার্স অলআউট হয় রংপুরের বিপক্ষে একই আসরে।

গতকাল সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নাসুমের তাণ্ডবে ১৪.২ ওভারেই ৬১ রানে অলআউট হয়ে নোয়াখালী। জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮.৪ ওভারেই চার উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় মেহেদী হাসান মিরাজের দল। এ হারে চার ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি বলে তলানিতে নোয়াখালী। অন্য দিকে টানা দুই হারের পর জয়ে ফিরল সিলেট।

১৪৭ ম্যাচের ক্যারিয়ারে বাঁ হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ চার ওভার বল করে সাত রান খরচায় প্রথমবারের মতো স্বাদ পেলেন পাঁচ উইকেটের। বিপিএলে স্পিনারদের মধ্যে এটাই সেরা বোলিং ফিগার। (২০১২ সালে ছয় রানে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ আমির)। নাসুম পিছনে ফেলেছেন দেশসেরা অলরাউন্ডার সাকিবকে। ২০১৭ সালে ঢাকা ডায়নামাইটের জার্সিতে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে সাকিব ৩.৫ ওভার বল করে ১৬ রানে পাঁচ উইকেট নিলেও রংপুরের কাছে তিন রানে হেরেছিল ঢাকা। বিপিএলের ইতিহাসে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ডটি পেসার তাসকিনের দখলে। বিপিএলের গত আসরে রাজশাহীর হয়ে ঢাকার বিপক্ষে ১৯ রান খরচায় নিয়েছিলেন সাত উইকেট।

গতকাল ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দলীয় এক রানে উইকেট হারিয়ে শঙ্কা জাগিয়েছিল সিলেট। তবে তৌফিক খান ও জাকির হাসান সব শঙ্কা উড়িয়ে গড়েন ৫৩ রানের জুটি। তৌফিক ৩২ ও জাকির করেন ২৪ রান। তাতেই ৬৮ বল বাকি থাকতে সহজ জয় টাইটান্সদের।

এর আগে নোয়াখালীর সৌম্য সরকার ও হাবিবুর রহমান সোহানের ওপেনিংয়ে করা ২৪ রানই দলের সর্বোচ্চ জুটি। সোহান ১৮ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ২৫ রান ছাড়া আর কোনো ব্যাটারই দুই অঙ্কের দেখা পাননি। নোয়াখালীর শেষ পাঁচ ব্যাটার মিলে করেন এক রান। শেষ পাঁচ উইকেট হারায় তারা ছয় রানের মধ্যে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নোয়াখালী এক্সপ্রেস : ১৪.২ ওভারে ৬১ (সোহান ১৮, মাহিদুল ২৫, নাসুম ৫/৭।

সিলেট টাইটান্স : ৮.৪ ওভারে ৬২/৪ (তৌফিক ৩২, জাকির ২৪, জাহির ৩/৮)।

ফল : সিলেট টাইটান্স ছয় উইকেটে জয়ী।

ম্যাচ সেরা : নাসুম আহমেদ।