সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক
ইতালিতে কনসার্টে অংশ নিতে গিয়ে জরিমানা দিতে হলো বাংলাদেশের রকস্টার নগরবাউল জেমসকে। জেমস ও তার সফর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, দেশটির রাজধানী রোমে গিয়ে বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের ক অপরিচ্ছন্ন ও বিশৃঙ্খল অবস্থায় রেখে চলে যান। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতা ফি হিসেবে হোটেল কর্তৃপ ন্যূনতম ২০০ ইউরো জরিমানা দাবি করেছে। হোটেল কর্তৃপরে অভিযোগ, গত ১৬ আগস্ট রোমে একটি সফল কনসার্ট শেষ করে জেমস ও তার দল ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে জেমসের টিম কাউকে কিছু না জানিয়ে আচমকা হোটেল ত্যাগ করে। পরবর্তীতে কগুলো চেক করার সময় দেখা যায়, মেঝেতে প্লাস্টিকের বোতল ও আবর্জনার স্তূপ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। ডাইনিং টেবিলে খাবারের উচ্ছিষ্ট ও নোংরা পলিথিন ফেলে রাখা হয়েছে। রান্নাঘরের সিঙ্কে নোংরা থালা-বাসন ও কাঁচা ডিম পড়ে থাকতে দেখা গেছে। একপর্যায়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ পুলিশ ডাকে জেমস ও তার টিমের বিরুদ্ধে সামাজিক অনৈতিকতার অভিযোগ করে। এ ছাড়াও জেমসদের বিরুদ্ধে চুক্তি ভঙ্গ, আর্থিক অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
ঘটনার পর হোটেলের রুম নোংরা করার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। জেমস ও তার সঙ্গীদের এমন কাণ্ডে দেশ বিদেশে সমালোচনার ঝড় বইছে। প্রবাসীদের অভিযোগ তাদের কারণে দেশের সুনাম নষ্ট হয়েছে। রোমে ১২ বছর পর জেমসের কনসার্ট প্রবাসীদের মধ্যে দারুণ সাড়া ফেললেও হোটেল করে এই খবর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
এদিকে রোম কনসার্ট আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান হোসাইন আহমেদ মোয়াজ জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, টিকিট বিক্রির অর্থ আত্মসাৎ এবং হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠানোর গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।
বিষয়টি নিয়ে দেশ-বিদেশে এই তোলপাড়ের মুখে জেমসের মুখপাত্র ও বিজনেস ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে পুরো বিষয়টিকে ‘তুচ্ছ ঘটনা’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানান, জেমসের টিম মোট চারটি কে ছিল, যার মধ্যে জেমস ছিলেন ৩৪৫ নম্বর রুমে এবং তিনি নিজে ছিলেন ২৪৬ নম্বরে। যে রুমটি নোংরা করার ছবি ছড়ানো হয়েছে, সেখানে জেমস নিজে ছিলেন না। আর না জানিয়ে হোটেল ছেড়ে যাওয়ার দাবিটিও সম্পূর্ণ মিথ্যা উল্লেখ করে এটিকে তিনি জেমসের সুনাম ুণœ করার একটি অপচেষ্টা বলে দাবি করেন।



