ক্রীড়া প্রতিবেদক
গতকাল ছিল বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তবে ফিফার নিষেধাজ্ঞা মুক্ত না হওয়ায় গতকাল ক্লাব লাইসেন্সিং শেষ সম্পন্ন করতে পারেনি দেশের দুই শীর্ষ ক্লাব ঢাকা আবাহনী ও বসুন্ধরা কিংস। এ ছাড়া নতুন করে বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে আরো দু’টি অভিযোগ ফিফায় দাখিল করা হয়েছে। আগের ১২টি সাথে নতুন করে এই দুই অভিযোগ যুক্ত হওয়ায় এখন ১৪টি অভিযোগ সামলাতে হচ্ছে দেশ সেরা ক্লাবটিকে। আবার এই দুই ক্লাব যদি ঘরোয়া ফুটবলে না খেলে তাহলে ৭০ ফুটবলার ক্লাব পাবে না। আকর্ষণও কমে যাবে ঘরোয়া ফুটবলের। তাই আগের অনড় অবস্থান থেকে সরে এসেছে বাফুফে। তারা বাড়াতে যাচ্ছে ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের সময় সীমা। ১৭-১৮ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হচ্ছে এই সময় সীমা। বাফুফে সূত্রে জানা গেছে তা।
ফিফা এবং এএফসির শর্ত মেনে লিগ করতে গেলে ন্যূনতম ১০ দল হতে হবে। যদি আবাহনী ও বসুন্ধরা কিংসের সাথে ফিফার নিষেধাজ্ঞায় পড়া ইয়ংমেন্স ক্লাব ফকিরেরপুলও খেলতে না পারে লিগে তাহলে দলের সংখ্যা হবে সাত। তাই এই তিন ক্লাবের গ্যাপ পূরণের জন্য ওয়ান্ডারার্স, আরামবাগকে লিগে রেখেছে বাাফুফে। আর বিসিএল থেকে প্রমোশন পাওয়া দলতো আছেই। অর্থাৎ বাফুফের হাতে বিকল্প আছেই। এর পরও বাফুফে চায় দুই শীর্ষ ক্লাবের অংশগ্রহণ। তাই ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এমনিতেই ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই বড় ক্লাব শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র এবং শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিগে অংশ নেয়নি। চট্টগ্রাম আবাহনী কোনোমতে দল গড়ে শেষ পর্যন্ত নেমেও গেছে। এখন আবাহনী এবং বসুন্ধরা কিংসের মতো দুই জনপ্রিয় এবং শীর্ষ দল যদি লিগে না খেলে তাহলে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পেটে ভাতে খেলতে হবে অন্য ক্লাবে। যেমনটা গত সিজনের ব্রাদার্স ইউনিয়নে হয়েছিল। তাই বাফুফে বুদ্ধীমানের কাজই করেছে ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের সময় বাড়িয়ে। যদিও বলা হয়েছে ক্লাবগুলোর দাবির প্ররিপ্রেক্ষিতেই বাড়ানো হয়েছে সময়। এখন বাকি কাজটা করতে হবে বসুন্ধরা কিংস, আবাহনী এবং ইয়ংমেন্সকে।


