এএফপি
দক্ষিণ চীনসাগর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইনসহ কয়েকটি দেশের দেয়া যৌথ বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করেছে চীন। দেশটি বলেছে, ওই অঞ্চলে তারা নিজেদের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও সামুদ্রিক অধিকার দৃঢ়ভাবে বজায় রাখছে। একইসাথে নৌসীমায় যেকোনো উসকানি ও অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেইজিং।
একটি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ের দশম বার্ষিকী উপলক্ষে রোববার ওই যৌথ বিবৃতি দেয় জাপান, ফিলিপাইন, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, এস্তোনিয়া, জার্মানি, ইতালি, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, নিউজিল্যান্ড, রোমানিয়া, স্লোভেনিয়া ও ব্রিটেন। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিবৃতি সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে।
যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের বিস্তৃত সামুদ্রিক দাবির কোনো ‘আইনি ভিত্তি নেই।’ ২০১৬ সালে স্থায়ী সালিশি আদালতে (পিসিএ) দায়ের করা মামলায় জয়লাভ করে ফিলিপাইন। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ওই অঞ্চলে চীনের সার্বভৌমত্বের দাবির কোনো ভিত্তি নেই বলে সে সময় রায় দেয় আদালত। তবে বেইজিং শুরু থেকেই এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
বেইজিংয়ের দাবি, দক্ষিণ চীনসাগরে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তারা অবিচল এবং নিজেদের অধিকার রক্ষায় নেয়া পদক্ষেপগুলো যৌক্তিক, বৈধ, পেশাদার ও সংযত। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাইরের অন্যান্য দেশ ধারাবাহিকভাবে এই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে এবং উত্তেজনা উসকে দিচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সামরিকীকরণ ও জবরদস্তির এসব কর্মকাণ্ড দক্ষিণ চীন সাগরের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ।’



