রয়টার্স
মার্কিন তৈরি আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের তীব্র সঙ্কটের সুযোগ নিয়ে এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে তৃতীয়বারের মতো ভয়াবহ ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। তুরস্কের আঙ্কারায় চলমান ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যকার পূর্বনির্ধারিত বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে এই হামলার ঘটনা ঘটল।
ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রাতের এই হামলায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ১৬৯টি রুশ ড্রোনের মধ্যে ১৩৯টি ধ্বংস করতে পারলেও, ধেয়ে আসা পাঁচটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটিও ভূপাতিত করতে পারেনি। যুদ্ধক্ষেত্রে রাশিয়ার স্থল অভিযান স্থবির হয়ে পড়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তারা বিমান হামলা জোরদার করেছে। কেবল জুলাই মাসেই কিয়েভ ও এর আশপাশে রুশ হামলায় ৬০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, দিনিপ্রো নদীর দুই তীরের আবাসিক ভবন ও গুদামে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আগুন লেগে যায়। হামলায় এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরো কয়েকজন। এ ছাড়া দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একটি গির্জা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একটি আবাসিক ভবন থেকে দুইজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি মার্কিন তৈরি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য বারবার আকুতি জানাচ্ছেন, যা তীব্র গতির ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে সক্ষম একমাত্র অস্ত্র। আঙ্কারা সম্মেলনে ট্রাম্পের সাথে বৈঠকে তিনি বিষয়টি জোরালোভাবে তুলবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ দিকে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন সব বাধা উপেক্ষা করে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এবং দোনেৎস্ক অঞ্চলের অবশিষ্টাংশ ছেড়ে দেয়ার জন্য কিয়েভের ওপর চাপ দিচ্ছেন।



