অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অ্যাশেজের দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন জো রুট। এই সেঞ্চুরিতে ক্যারিয়ারে অসিদের মাটিতে শতকের হাহাকার দূর করেছিলেন ইংলিশ টপ অর্ডার এই ব্যাটার। সেই এক সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয়টিও পেয়ে গেলেন তিনি। আর তাতেই রেকর্ডের পথচলায় জায়গা করে নিলেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি রিকি পন্টিংয়ের পাশে। সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্টের প্রথম দিনের ৭২ রানকে তিনি দ্বিতীয় দিন প্রথম সেশনে নিয়ে গেলেন তিন অঙ্কের ঘরে। ৪১টি সেঞ্চুরি করা পন্টিংয়ের পাশে এবার বসে গেলেন রুট। তার সামনে কেবল দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস ও ভারতের শচিন টেন্ডুলকার। সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডারদের একজন প্রোটিয়া কিংবদন্তির সেঞ্চুরি ৪৫টি। আর ৫১ সেঞ্চুরি নিয়ে ক্যারিয়ার শেষ করেছেন টেন্ডুলকার।
সিডনি টেস্টের প্রথম দিন বৃষ্টি ও আলোস্বল্পতার কারণে খেলা হয়েছিল ৪৫ ওভার। তিন উইকেট হারিয়ে ২১১ রানে দিন শেষ করেছিল ইংল্যান্ড। ৭২ রানে রুট ও ৭৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন মাঠে নামেন ব্রুক। দিনের তৃতীয় ওভারে এ দিন বোলান্ডের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ব্রুক (৮৪)। আর আগের দিন জাগানো সম্ভাবনাকে চমৎকার ব্যাটিংয়ে নবম ব্যাটার হিসেবে নেসারের বলে আউট হওয়ার আগে ১৬০ রানের ঝলমলে এক ইনিংস খেলেন রুট। ৯৩.৩ ওভারে ৩৮৪ রান করে সফরকারীরা। চারটি উইকেট নেন মিচেল নেসার।
প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের ৩৮৪ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন দুই উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান নিয়ে শেষ করেছে অস্ট্রেলিয়া। এখনো ২১৮ রানে পিছিয়ে স্বাগতিকরা। এদিন ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ট্রাভিস হেডের সামনে অ্যাশেজে তৃতীয় সেঞ্চুরির হাতছানি। ১৫ চারে ৮৭ বলে ৯১ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। ক্রিজে তার সঙ্গী নাইটওয়াচম্যান হিসেবে ১ রান নিয়ে নেসার।
ইনিংসের সূচনা করতে নেমে তিন বলের মধ্যে দুইবার জীবন পেয়েও নিজের ইনিংসকে বড় করতে পারেননি জ্যাক ওয়েদারল্ড। স্টোকসের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ২১ রান করেই ফেরেন তিনি। এরপর দলকে টানেন হেড ও লাবুশেন। তাদের ব্যাটে দেড়শ পেরিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার রান। পঞ্চাশের পথে ছিলেন লাবুশেন। কিন্তু স্টোকসের বলে গালিতে ক্যাচ দিয়ে ৪৮ রানেই থেমে যান লাবুশেন। দিনের শেষ ওভারের প্রথম বলে স্টোকসের বল নিসারের কনুইয়ে আঘাত করে। এরপরই বৃষ্টি নামলে দিনের খেলা শেষ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।



