সমতায় ফিরল নিউজিল্যান্ড

Printed Edition

ক্রীড়া ডেস্ক

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে দারুণ পারফরম্যান্সে অনায়াসে জয় পেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখল প্রোটিয়ারা। আগে ব্যাট করা কিউইদের গড়া ১৭৫ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরকে তাড়া করতে নেমে জয়ের কোনো সম্ভাবনাই জাগাতে পারল না সফরকারীরা। ১০৭ রানে প্রোটিয়াদের গুড়িয়ে ৬৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরল নিউজিল্যান্ড।

হ্যামিল্টনে গতকাল টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামে নিউজিল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে গত রোববার ৯১ রানে অলআউট হলেও দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে সতর্কতার সাথে শুরু করেন দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে ও টম লাথাম। পাওয়ার প্লেতে দুই ব্যাটার মিলে তুলেন ৪৩ রান। সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায় স্যান্টনারের দল। যদিও প্রথম ম্যাচের মতো এবারো ব্যর্থ হন লাথাম (১১)। ৪৮ রানে প্রথম উইকেটের পতন। পরের ওভারেই মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন টিম রবিনসন। এরপর নিক কেলি ২১ ও মিচেল স্যান্টনারের ২০। এই দু’জনের সাথে ছোট দুটি জুটিতে দলকে এগিয়ে নেন কনওয়ে। ১৬তম ওভারে ওয়ান মুল্ডারের বলে আউট হওয়ার আগে ৬০ রান করেন এই ওপেনার। ৪৯ বলের ইনিংসটি সাজান পাঁচটি চার ও দু’টি ছক্কায়। উইকেটে এসে দ্রুতই ফিরে যান জেমি নিশামও। শেষের দিকে ঝড়ো ব্যাটিংয়ে কোল ম্যাককনচি ও জস ক্লার্কসন জুটিতে ১৩ বলে ৩৫ রান। ম্যাককনচি ১২ বলে ১৮ আর ক্লার্কসন ৯ বলে ২৬ রানে ছিলেন অপরাজিত। নিউজিল্যান্ডকে সমতায় ফেরানোয় সবচেয়ে বড় অবদান রেখে ম্যাচসেরা হন ডেভন কনওয়ে।

১৭৬ রানকে তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। পঞ্চম ওভারে কনর এস্টারহুইজেনের বিদায়ে ভাঙে ২৯ রানের জুটি। পরের ওভারে একই স্কোর থাকতেই ফিরে যান আরেক ওপেনার মুল্ডারও (১৬)। দলীয় স্কোরে ২ যোগ হতেই টনি ডি জর্জিকে আউট করেন ম্যাককনচি। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন জর্জ লিন্ডে। রবিন হারম্যানের ব্যাট থেকে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৯ রান। ১৫.৩ ওভারেই অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা। তিনটি করে উইকেট নেন লুকি ফার্গুসন ও বেন সিয়ার্স। সিরিজের এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে অকল্যান্ডে আগামী শুক্রবার মুখোমুখি হবে দুই দল।