প্রিন্স আশরাফ
একশ’ আট.
আমরা মাঝিরা একজন আরেকজনের লৌকো দেখলিই চিনতি পারি।’
‘সে নৌকা কতদূর গেছে? কোনটা সেটা?’
‘মান্দার ভাই এট্টু ট্যানিই আগুইছে দেখতিছি।’ এক হাতে দাঁড় ধরে মাঝি আরেক হাত উঁচিয়ে ঝাপসা চাঁদের আলোয় সামনে ধোঁয়াটে নদীর দিকে ছোট্ট একটা নৌকা দেখাল। ‘উইই যে লৌকাটা আগে বারায় গেছ উই লৌকাটাই মান্দার ভাইয়ের লৌকা। মান্দার ভাইয়ের আজকি তাড়া আছে দেখতিছি।’
নাভিদ একটু অবাক হলো। একইরকম নৌকা মাঝিরা চেনে কিভাবে? নিজেকে একটু বোকা বোকা লাগল। তার বোঝা উচিত ছিল যে নৌকা বেগে এগিয়ে যাচ্ছে সেটাই তাদের কাক্সিক্ষত নৌকা।
‘এই রাতেও এত নৌকা নদীতে চলাচল করছে কেন?’ জুয়েল প্রশ্ন করল। নদীটাতে তার রাস্তার মতো মনে হচ্ছে। নৌকাগুলো যেন গাড়ি। রাতের রাস্তায় যেন গাড়ি চলাচল করছে।
হাকিম মাঝি জুয়েলের প্রশ্নের উত্তর দিলো, যদিও জুয়েল প্রশ্নটা কারো উদ্দেশে করে নাই। ‘কাল কি রোববার। এহ্যানে হাটবার। বড় হাট বসে। বড়দলের হাট। নাম শোনেননি?’ (চলবে)



